Welcome To MCB

4.4
(10)

Publish News, Views, Consciences, Etc. 

mcb post icon

‘আইপে হচ্ছে বাংলাদেশের পেপাল’
0
(0)

ipay-priyo-womens-expo-1742952161.jpgদেশের প্রথম ই-ওয়ালেট আইপে বাংলাদেশে পেপালের কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাকারিয়া স্বপন

৩ মার্চ শনিবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মাল্টিপারপাস হলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত উইমেন টেক এক্সপোতে তিনি এ কথা জানান। দিনব্যাপী এই এক্সপোর পেমেন্ট পার্টনার আইপে সিস্টেমস লিমিটেড।

জাকারিয়া স্বপন বলেন, ‘আইপে হচ্ছে বাংলাদেশের পেপাল। যা দিয়ে উদ্যোক্তা ও ক্রেতারা খুব সহজেই কেনাবেচা করতে পারবেন। এজন্য আলাদা কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে না। আপনার যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি রয়েছে, তা আইপেতে যুক্ত করে অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। এ ছাড়া আইপে দিয়ে লেনদেনে কোনো ধরনের চার্জ নেই।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘বাংলাদেশের নারীরা দিনে দিনে এগিয়ে যাচ্ছে। যেভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নারীদের এগিয়ে যেতে হবে। পুরুষের চেয়ে সাহসে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের নারীরা। চারদিকে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। নিজেদের শক্তি বাড়ান, মনোবল শক্ত করুন। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজ করে যান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের বক্তব্যে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বিডব্লিউআইটির সভাপতি লুনা শামসুদ্দোহা বলেন, ‘প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নারীরাও ব্যাপক এগিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলেই নারী উদ্যোক্তারা সফল হবে।

উইমেন টেক এক্সপোতে অংশ নিয়েছেন ৩৫ জন নারী উদ্যোক্তা। এ এক্সপোর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) ও বাংলাদেশ উইমেন ইন আইটি (বিডব্লিউআইটি)

এ আয়োজনে পার্টনার হয়েছে বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাইভেট ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন এবং লফতো। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে জাগো নিউজ ও এটিএন নিউজ।

15 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

জাফর ইকবালের ওপর হামলা: আ.লীগ নেতা আটক

0
(0)

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুর রহমানের শেখপাড়ার বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। সেখান থেকে তাঁর মামা সুনামগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক ফজলুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া একটি ল্যাপটপও জব্দ করা হয়েছে বলে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুর রহমান প্রথম আলোকে জানান।

ওসি শফিকুর রহমান জানান, শনিবার রাত ১২টা নাগাদ শাবিপ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ওই বাসাটিতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। সে সময় বাসাটি বাইরে থেকে তালা লাগানো থাকায় পুলিশ তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তালাবদ্ধ বাসার ভেতরে ফয়জুরের মামা ফজলুর রহমান অবস্থান করছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাত সোয়া ১ টার দিকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

এ দিকে অধ্যাপক জাফর ইকবাল শঙ্কামুক্ত আছেন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা গেছে। আজ তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সকাল ১১ টায় গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে। শনিবার রাতে আইএসপিআর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদুল হাসান প্রথম আলোকে মুঠোফোনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে শনিবার বিকালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান চলাকালে অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল হামলার শিকার হন। তাঁর পেছনে থাকা ফয়জুর রহমান ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন। উন্নত চিকিত্সার জন্য ড. জাফর ইকবালকে ঢাকার সিএমএইচে আনা হয়। ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তাঁর চিকিত্সা চলছে।

21 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

মাদ্রাসার ছাত্ররা আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
(0)

মাদ্রাসার ছাত্ররা আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করছি। আর মাদ্রাসা থেকে বের হওয়া ছাত্রদের যে মেধাবী ছেলেরা বের হয়ে আসবে- তারা এ দেশের নেতৃত্ব দেবে। তারা আমাদের ইসলামের নেতৃত্ব দেবে।’

image-23711-1520091254.jpg
শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদের আহ্বানে শনিবার বিকালে রাজধানীর হাজীপাড়া ইক্বরা মিলনায়তনে আয়োজিত বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়্যা বাংলাদেশের আয়োজনে মাদ্রাসা ছাত্রদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মাদ্রাসার ছাত্ররা জঙ্গি হতে পারে না উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদ্রাসায় দ্বীনের শিক্ষা দেয়া হয়, কুরআন-হাদীসের শিক্ষা দেয়া হয়, সেখানে জঙ্গি উৎপত্তি হয় কী করে? আমরা চ্যালেঞ্জ করেছিলাম, টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়ায় একটি আইএস জঙ্গি একটা মাদ্রাসা ছাত্রকেও জঙ্গি হিসেবে পাইনি। আজ সেই ভুল কেটে গেছে।’

আলেমদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের কালো দাগ দেয়ার জন্য আইএসের গল্প পাতানো হয়েছিল। সারা পৃথিবীতে ইসলাম ও মুসলিমদের কলংকিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র চলছে। আপনাদের এ কথা মনে রাখতে হবে, আমরা হৃদয় দিয়ে ধারণ করি ইসলাম ধর্মকে। হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেআমরা হৃদয়ে ধারণ করি। এই ধর্মে কোনোদিন জঙ্গি উৎপাদন করতে পারে না। এ ধর্ম কোনোদিন মারামারি সন্ত্রাসী কার্যক্রম সমর্থন করে না।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলেম-ওলামাদের খুব ভালোবাসেন। কারণ, তিনি একজন পাক্কা মুসলমান। তিনি ইমানদার মানুষ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তাহাজ্জুদের নামাজসহ সকাল বেলায় কুরআন তেলাওয়াত করেন। এ মানুষের হাতে আজ বাংলাদেশ চলছে। সেজন্য আলেম-উলামারা তার কাছে সম্মানীয় জিনিস।তাদের কথা তিনি মন দিয়ে শোনেন। তিনি কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি সম্পর্কে সিরিয়াস ছিলেন। সেজন্য স্বীকৃতি সহজতর হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি আল্লামা আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা সচিব মো. আলমগীর।

জঙ্গিবাদ ইস্যুতে আলেম-উলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের ওই কঠিন সময়ে সংকট মোকাবেলায় আলেমদের নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি বলেন, যারা আলেম তারা জঙ্গি না, তারা মানুষ হত্যা করতে পারে না।

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার সচিব মো. আলমগীর বলেন, কওমি মাদরাসা শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি এখনো একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

সংখ্যালঘু বোর্ডগুলোকে আইনত শক্তিশালী করার জন্য আহ্বান জানিয়ে সভাপতির আলোচনায় জাতীয় বেফাকের সভাপতি আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, বেফাকুল মাদারিস ছাড়া বাকি পাঁচ বোর্ডের সঙ্গে সংখ্যালঘুর আচরণ করা হচ্ছে। আমাদের এই পাঁচ বোর্ডকে আইনত শক্তিশালী করা উচিত।

পাঁচ বোর্ডের সদস্যরা এখানে আছে উল্লেখ করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, আমাদের এখানে মেধার চাষ হচ্ছে। হায়াতুল উলইয়্যার কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় সর্বপ্রথম স্থান অধিকার করেছে আমাদের বোর্ডের শিক্ষার্থী। আমরা পুরস্কার হিসেবে হজের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দিন।

পুরস্কার ব্যবস্থা না করায় তিনি হায়াতুল উলইয়্যার নেতাদের সমালোচনাও করেন তিনি। তিনি বলেন, কী কারণে যে এখনো এ রকম পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি তা জানি না। মেধাবীকে মূল্যায়ন করা উচিত।

এছাড়াও মাওলানা হুসাইনুল বান্নার উপস্থাপনায় বক্তব্য দেন, ড. আওলাদ হোসেন, মাওলানা আবু তাহের নদভী, মুফতি এনামুল হক, মুফতি মুহাম্মদ আলী, মাওলানা শামসুল হুদা খান, মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ, মুফতি আবদুল কাইয়ুম খান, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মুফতি তাজুল ইসলাম কাসেমী, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা মুমতাজুল করীম, মাওলানা আইয়ুব আনসারী, মাওলানা শওকত আলী, মাওলানা মুজাফ্ফর হোসাইন, মাওলানা হিফজুর রহমান, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইফী, মাওলানা মুসলেহউদ্দীন, মুফতি আবুল কাসেম, মাওলানা আবদুল বাতেন, মুফতি আবদুর রহীম, মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী, মাওলানা আবদুল জলিল, মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ, মুফতি জসীম উদ্দীন, কারি শামসুল হক প্রমুখ।

12 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!


0
(0)

পবিত্র রমজান মাসে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও অাধা-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অনুযায়ী রমজানে কর্মঘণ্টা হচ্ছে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে নতুন এ সময়সূচির অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

11 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি জননেতা শ্রী তপন চক্রবর্ত্তী বলেছেন জাতীয় পার্টির ৯ বছরের শাসনামলে পল্লীবন্ধু এরশাদ বাংলার শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের কল্যাণে যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তা অন্য সরকারগুলো করে দেখাতে পারেনি। সে সময় শ্রমিকদের জীবন মানোন্নয়নে পল্লীবন্ধু ২ ঈদে দুটি বোনাস, গ্রাচ্যুয়েটি, স্বাস্থ্য সেবা, বাসস্থান, পল্লী রেশনিং ব্যবস্থা, শ্রমিকদের সন্তানদের পড়া লেখার ব্যবস্থা, নিশ্চিত করেছিলেন। এমনকি স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নানা কারণে বন্ধ তয়ে যাওয়া মিলকারখানা চালুর পাশাপাশি নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের রপ্তানী আয় বাড়াতে গার্মেন্টস্ শিল্প প্রতিষ্ঠা করে দেশের উন্নয়নে অমরত্ম লাভ করেছেন পল্লীবন্ধু। আজ দেশের শ্রমজীবি মানুষেরা নানাভাবে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বঞ্চিত শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের যোগ্যনেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ত্ব আহ্বান জানান। তিনি আজ ১ মে মহান শ্রমিক দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা জাতীয় শ্রমিক পার্টির উদ্যোগে পাহাড়তলী বাজার চত্বরে আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। জেলা শ্রমিক পার্টির সভাপতি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি আনিসুল ইসলাম চৌধুরী, ওসমান খান, কামরুজ্জামান পল্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম রেজা, রেজাউল করিম রেজা, পাহাড়তলী থানা জাপা আহ্বায়ক মোহাম্মদ খান লেদু। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নগর জাপা নেতা তরিকুল ইসলাম তারেক, নগর সাংস্কৃতিক পার্টির সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী আলী আকবর, জেলা শ্রমিক পার্টির সহ-সভাপতি মোস্তফা খা, মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, হাফিজুর রহমান মিন্টু, পাহাড়তলী থানা জাপা যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলমগীর, আমিন জুট মিল সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম, পাহাড়তলী শিল্পাঞ্চল সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, ইসলামিয়া জুট মিলস্ সভাপতি মোঃ শাহজাহান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অলংকার চত্বরে এসে শেষ হয়।

13 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

7_209567‘রব নে বানা দি জোড়ি’-র তানি সাহনি-কে মনে আছে? শান্ত, স্বল্পবাক তরুণী। সেই দিনের তানি যে আর সুলতানের আরফা তা মানতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে পারেন দর্শকরা।

দুইদিন আগে আনুশকার ফার্স্ট লুক রিলিজ হয়েছিল। রোববার রিলিজ হল ছবির দ্বিতীয় টিজার। আর সেখানে আনুশকাকে দেখে পেশাদার কুস্তিগীর বলে ভুল হতে পারে!

গোটা টিজারে সালমানের ভয়েস ওভারে টিপিকাল হরিয়ানার অ্যাকসেন্টে আনুশকার ইন্ট্রোডাকশন শুনতে পাবেন। আর ‘ধোবি পছার’ দেখে বলতেই হবে, দীর্ঘ দিন প্রশিক্ষণ নিয়েই মাঠে নেমেছেন আনুশকা।

আসলে এন এইচ ১০ এবং পিকে-র মতো সিনেমায় অভিনয়ের পর তার কাছ থেকে যে বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে দর্শকদের মধ্যে তা ভালোই টের পাচ্ছেন আনুশকা। তাই সেই প্রত্যাশার প্রতিদান হিসাবেই হয়তো ফিরিয়ে দিচ্ছেন এমন সব চরিত্র। সূত্র: এইসময়

[youtube https://www.youtube.com/watch?v=1QuRU65DQ3w]

31 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

মহান মে দিবস স্মরণে গণতান্ত্রিক শ্রমিকদল চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে অদ্য সকাল ১১ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা সংগঠনের আহ্বায়ক মনজুর মুহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর এলডিপির সভাপতি এম. ছলিম উল্লাহ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক শিল্পপতি এম. এয়াকুব আলী, চট্টগ্রাম মহানগর এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক দোস্ত মোহাম্মদ, প্রচার সম্পাদক নুরুল আজগর চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক এস.এম. আবু জাফর। আকরামুল করিম ইমনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর এলডিপি নেতা হাসান মোহাম্মদ আমিন, চান্দগাঁও থানা এলডিপির আহ্বায়ক মোঃ হারুন শিকদার, পাঁচলাইশ থানা এলডিপির আহ্বায়ক মোঃ আবু তাহের, খুলশী থানা এলডিপি নেতা ইউসুফ হাসান, মোঃ সামশুল আলম, মহানগর গণতান্ত্রিক শ্রমিকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ বেলাল হোসেন, মহানগর শ্রমিকদল নেতা শহীদুল ইসলাম নয়ন, রাশেদ খান, মোঃ জাবেদ, মোঃ মহিউদ্দিন, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মোঃ ইউসুফ, মোঃ হোসেন, মোঃ সোলায়মান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. ছলিম উল্লাহ বলেন, দুনিয়ার মজদুর এক হও, শ্রমিকদের সার্বজনীন শ্লোগান হলেও বাস্তবে দুনিয়ার মজদুর এক নেই। শ্রমিকগণ বিভিন্ন দল, উপ-দল এবং বিভিন্ন মতাদর্শের বিশ্বাসী হওয়ায় সুষ্ট শ্রম আন্দোলন করতে পারেন না বিধায় যুগে যুগে শ্রমিক সমাজ বঞ্চিত এবং নিজেদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন না। ক্ষুদ্র স্বার্থে দলীয় লেজুড়বৃত্তি করতে গিয়ে বৃহত্তর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেয়। যার কারণে দুনিয়ার মজদুর এক হয় না, ঐক্যবদ্ধ লড়াইও করা যায় না।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে এডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সৃষ্টির আদি হতে শ্রমিক সমাজ সভ্যতার কারিগর, সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের শ্রমিকদের দু’হাত কর্মীর হাতিয়ার হয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় শ্রমিকদের অনৈক্য এবং অজ্ঞতার কারণে শ্রমিক সমাজ তাদের ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারেন না। প্রত্যেক শ্রমিকের দৈনিক কার্যকালীন সময় ৮ ঘণ্টা জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থা স্বীকৃত হলেও আমাদের দেশে এখনো ৮ ঘণ্টার অধিক সময় শ্রমিকগণ শ্রম দিয়ে থাকেন। শ্রমিকগণ বিভিন্ন কলকারখানায় অধিকাল ভাতা ছাড়াই দৈনিক ২-৩ ঘণ্টা অতিরিক্ত শ্রম দিয়ে থাকেন।

13 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

হয়তো ঘুমিয়ে আছেন বা নদীতে গোসল করতে নেমেছেন হঠাৎ পায়ের মাংসপেশির টানের ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলেন। এমতাবস্থায় পা সোজা বা ভাঁজ করা সম্ভব না। পা ভাঁজ করে রেখে হঠাৎ সোজা করতে গেলে পায়ের পেশিতে টান পড়ে তখনই পায়ের পেশিতে বা রগে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এমনটা ঘুমের মধ্যে বা জেগে থাকা অবস্থাতেও হতে পারে। তবে ঘুমন্ত অবস্থায় বেশি হয়ে থাকে।

দীর্ঘসময় ধরে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে অনেক সময় পায়ের পেশিতে বেশি টান লাগতে পারে। আবার দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলেও এমনটা হতে পারে। আবার অন্য কারণেও হতে পারে। যেমন, পানিশূন্যতা, মাংসপেশি বা স্নায়ুতে আঘাত, রক্তে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব, কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া যেমন- হাইপারটেনশন ও কোলেস্টেরল, কয়েকটি বিশেষ ভিটামিনের অভাবে যেমন- ভিটামিন ‘বি’ B1, B5, B6। কিছু বদভ্যাসের কারনে যেমন- ধূমপান, মদপান।

ধূমপায়ীদের পায়ে রক্ত চলাচল কম হয় বলে সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই তাদের পায়ে টান লাগে। গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে থাকে, তাই ওই সময় পায়ের পেশিতে টান লাগা স্বাভাবিক ব্যাপার। আবার হাইপোথাইরয়েডিজম, কিডনি ফেইলিওর, মেন্সট্রুয়েশন, গর্ভসঞ্চার ইত্যাদির কারণেও পেশিতে টান লাগতে পারে।

তখন কি করবেন?
যে পায়ের পেশিতে টান পড়বে, দ্রুত সেই পায়ের পেশিকে শিথিলায়ন বা রিলাক্স করতে হবে। এতে পেশি প্রসারিত হবে এবং আরাম পাবেন। পেশিকে প্রসারিত করার নিয়ম হলো আপনার যদি হাঁটুর নিচে পায়ের পিছনের মাসলে টান লাগে তাহলে পা সোজা করে হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরে আপনার দিকে আস্তে আস্তে টানুন। আর যদি সামনের দিকে হয় তাহলে পা ভাঁজ করে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো পেছনের দিকে টানুন।

অনেক সময় উরুর পেছনেও এমনটা হয়, তখন চিৎ হয়ে শুয়ে পা ভাঁজ করে হাঁটু বুকের দিকে নিয়ে আসুন যতোটুকু পারা যায়। আর উরুর পেছনের পেশিতে আলতো হাতে আস্তে আস্তে মালিশ করুন আরাম পাবেন। আর যদি পেশি শক্ত হয়ে আসে তখন ওয়াটার ব্যাগ বা হট ব্যাগের মাধ্যমে কিছুক্ষণ গরম সেক দিন আক্রান্ত পেশিতে। আবার যদি পেশি বেশি নরম ও ফুলে যায় আর ব্যথা থাকে তাহলে তাতে আইসব্যাগ দিয়ে ঠাণ্ডা সেক দিন। বেশ আরাম পাবেন। প্রত্যেকের বাসায় মুভ বা ভিক্স জাতীয় ব্যথানাশক বাম বা জেল থাকে, তা দিয়ে আলতো হাতে মালিশ করা যেতে পারে ওই পেশিতে।

আপনার পায়ের ‘পেশীর টানমুক্ত’ অবস্থায় ভালো থাকতে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার খান। শাকসবজি, ফল, খেজুর, দুধ ও মাংসতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে। আপনার নেশাজাতীয় বদঅভ্যাস থাকলে তা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন।

13 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

ফুলের জলসায় নীরব কবি। কী কারণে কবি নজরুল বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন? এ নিয়ে বিতর্ক ব্রিটিশ শাসনকাল ১৯৪২ সাল থেকে। ’৪২ সালের ১০ জুলাই কবি হঠাৎ কথা বলা বন্ধ করে দেন। বিশ্রাম ও চিকিৎসার জন্য ২০ জুলাই কবিকে নিয়ে যাওয়া হয় বিহারের মধুপুরে। সবাই ভাবলেন কবি ঠিক হয়ে যাবেন। না, কবি ঠিক হননি। ফিরে আসেন কলকাতায়। এ নিয়ে কবির প্রিয়ভাজন সওগাত সম্পাদক নাসিরউদ্দীন তার আত্মকথায় নিউরো সার্জন ড. অশোক কুমার বাগচীর কথা লিখেছেন।  আর ড. বাগচীর মতামত ছিল খোলামেলা। ড. বাগচীর মতে, নজরুলের অসুস্থতার লক্ষণ প্রথম যখন প্রকাশ পায় তখন বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে তার স্ত্রী প্রমীলার অসুস্থতার পর কবি কিছু দিন কালী সাধনা করেছেন। গেরুয়া পোশাক পরতেন আর মাথায় ছিল একই রঙের টুপি। কবির এই চালচলন, বেশভূষাকে অনেকেই ধরে নেন মানসিক বৈকল্য হিসেবে। সেই সময় থেকেই কবির সুর-তাল ক্ষয়ে যেতে থাকে। গ্রামোফোন কোম্পানিতে গান গাওয়ার সময় তা প্রকাশও পেতে থাকে। কবি একটু-আধটু বেসুরো হতে থাকেন। অবশ্য ধরিয়ে দিলে সংশোধন হতে চেষ্টা করতেন। কিন্তু পুরোপুরি অসুস্থ হওয়ার পর তিনি সব কিছুর বাইরে চলে যান। এই সময় চশমাধারী কোনো মানুষকে দেখলে খেপে যেতেন। উত্তেজিত হতেন। এই কারণে ড. অশোক বাগচীর ধারণা ছিল, কোনো চশমাধারী ব্যক্তি কবির বড় ধরনের ক্ষতি করেছিল, যা তার মস্তিষ্কে স্থায়ীভাবে দাগ কেটে যায়। ড. বাগচী বিখ্যাত চিকিৎসক বিধান চন্দ্র রায়ের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, ‘স্নায়ুবিক বৈকল্য’ মতামতটাই যথার্থ। ১৯৫৩ সালে ভিয়েনার বিশ্বখ্যাত চিকিৎসকরা ‘স্নায়ুবিক বৈকল্য’ মতামতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলেন। তারা বলেছিলেন, ১৯৩৯ সাল থেকে কবির সঠিক চিকিৎসা হলে তিনি বাকরুদ্ধ থাকতেন না। সঠিকভাবে তার চিকিৎসা হয়নি। শেষ পর্যন্ত ড. বাগচীরও একই মত। ভিয়েনার চিকিৎসকরা আরও বললেন, ১৯৫৩ সালে এসে নজরুল চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাইরে চলে যান। তখন আর কিছু করার নেই চিকিৎসকদের। মাঝে মাঝে আমিও ভাবী কী এমন মানসিক দুঃখ ছিল যার কারণে কবি নজরুল ভেঙে খানখান। হয়ে যান নীরব, নিস্তব্ধ। প্রেম এবং দ্রোহে নজরুলের কোনো তুলনা ছিল না। তার এক হাতে ছিল বাঁশের বাঁশি, আরেক হাতে রণতূর্য। অজানা পথিকের সন্ধানে কবির দিন কাটত। রাত কাটত। আগলে রাখতেন নিজের কষ্টগুলোকে। কাউকে বুঝতে দিতেন না। তবে সব কিছুর প্রকাশ ঘটাতেন গানে, কবিতায়। সুরের ঝঙ্কার তুলতেন নিজের অথবা অপরের কণ্ঠে। চেষ্টা করতেন কাঠিন্যকে জয় করতে। তাই তো কারাগারকে পরিণত করেছিলেন সৃষ্টিশীলতায়। বেদনাকে দ্রোহে রূপান্তর করেন। বঞ্চনাকে ঠাঁই দেন হৃদয়ের গহিনে। আহারে যদি জানা যেত মানুষের প্রতি কতটা অভিমানে কবি বলেছিলেন, ‘সত্য হোক প্রিয়া, দীপালি জ্বলিয়া ছিল-গিয়াছে-গিয়াছে নিভিয়া!’ কতটা যন্ত্রণায় ‘ফুলের বুকে দোলে কাঁটার অভিমানের মালা/আমার কাঁটার ঘায়ে বোঝ আমার বুকের জ্বালা।’ আহারে মানুষের জীবনটা বড় অদ্ভুত। মানুষ নিজেও জানে না তার ঠিকানা, তার যাতনা, বঞ্চনা। কবিগুরুর কথায়, জেনেশুনেই বিষপান। না জানি কতটা যন্ত্রণায় নজরুল চিরতরে বাকরুদ্ধ হয়ে যান। কী এমন হয়েছিল, যা তার বাকি জীবনটাকে তছনছ করে দিয়েছিল। সৃষ্টিশীলতা থেকে আড়াল করে দিয়েছিল কবিকে। মানুষের জীবন এত কষ্টের কেন হয়? কেউ কেউ দুঃখকে বিলাস মনে করে। আবার সত্যিকারের দুঃখ নিয়েই অনেক মানুষ একটা জীবন কাটিয়ে দেয় সৃষ্টিশীলতায়। কাউকে বুঝতে দেয় না। সমাজ, সংসার, প্রিয় মানুষ কেউ কাউকে বোঝে না। শামসুর রাহমানকে কাছ থেকে দেখেছিলাম। আশির দশকে কবি তল্লাবাগে থাকতেন। সোবহানবাগ কলোনি পার হয়েই তল্লাবাগ যেতাম। আমার জীবনে অনেক মানুষ দেখেছি, মিশেছি, কিন্তু কবি শামসুর রাহমানের মতো এত ভালো মানুষ কাউকে দেখিনি। মানুষের দেওয়া কষ্টে কবি জর্জরিত হতেন। হতাশা, বেদনা, ক্ষোভ নিয়ে বসে থাকতেন। আমি যেতাম। অনেকে যেতেন। তখনকার তরুণ কবিদের মধ্যে মারুফ রায়হানকে নিয়মিত পেতাম। কবি তার কষ্ট শেয়ার করতেন। ক্ষোভ ও বেদনার কথা বলতেন। ভালোবাসার কথাও বাদ যেত না। সেই সময়ে কবিকে যে মানুষগুলো কষ্ট দিয়েছিলেন, তারাই আজ কবির কথা বলে কেঁদে ফেলেন। বড় অদ্ভুত এই সমাজ। একদল মানুষের কাজ সৃষ্টি করা। আরেক দলের কাজ সৃষ্টিশীল মানুষগুলোকে যন্ত্রণায় রাখা। মানুষের এই বহুরূপী নৃশংসতা নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের অনেক লেখা আছে। হুমায়ূন এক উপন্যাসে লিখেছেন, গল্পের নায়িকা আয়না মানুষের মনের কথা জেনে যেত তার বিশেষ ক্ষমতাবলে। মিসির আলির প্রশ্নের জবাবে একবার আয়না বলল, স্যার সব মানুষের মনের ভিতর ঢুকতে চাই না। কারণ বেশির ভাগ মানুষই কুিসত চিন্তা করে। উপন্যাসের কথা নয়, বাস্তবেও তাই। মানুষের বড় অংশই অন্যের ভালো দেখতে চায় না। সারাক্ষণ মাথায় চিন্তা লালন করে কীভাবে অন্যের ক্ষতি করা যায়। মানুষের ভালো-মন্দ দুটি কথার বিশ্লেষণ আছে, লেখনীতেও। অনেক বিশ্লেষণ রয়েছে শেকসপিয়রের হ্যামলেটে। পিতার মৃত্যুর পর হ্যামলেট ভেঙে পড়েন। এ সময় হ্যামলেটের ঘনিষ্ঠ দুই রাজপ্রহরী দেখতে পায় প্রয়াত রাজার ছায়ামূর্তিকে। এই রাজাই হ্যামলেটের বাবা। যিনি কিছু দিন আগে গত হয়েছেন। মৃত্যুর পর প্রচার করা হয়, বাগানে ঘুমিয়ে থাকার সময় সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। শোকাহত হ্যামলেট প্রেতমূর্তির কথা জানতে পারেন। এক গভীর রাতে হ্যামলেট দুই প্রহরীর সঙ্গে মুখোমুখি হন ছায়ামূর্তির। হ্যামলেট মূর্তির পিছু পিছু দৌড়ে জানতে পারেন, এক কঠিন সত্য। মূর্তি তাকে জানায়, সাপের বিষে নয়, পরিকল্পিতভাবে বিষপানে তাকে হত্যা করা হয়েছে। কাজটি করেছেন হ্যামলেটের চাচা, যিনি এখন নতুন রাজা। একই সঙ্গে শোকের ছায়া কাটার আগেই বিয়ে করেছেন হ্যামলেটের মাকে। মৃত রাজার ছায়ামূর্তি পুত্রকে সব ঘটনা জানিয়ে নির্দেশ দেয় প্রতিশোধ নেওয়ার। তবে সাবধান করে দেয়, বিপথগামী মায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিতে। তাকে হত্যা না করতে। কারণ হ্যামলেটের বাবা তার দ্বিচারিণী স্ত্রীকে গভীরভাবে ভালোবাসেন। ক্ষুব্ধ হ্যামলেট বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার সংকল্প নেয়। কিন্তু মাকে হত্যা করতে পারে না। কারণ তার বাবার প্রেতাত্মা না করেছে। তবু মাকে ছাড় দেয় না। কথার আক্রমণে মাকে জর্জরিত করে। আত্ম দংশনের জন্য বাঁচিয়ে রাখে নিজের মাকে। ক্ষমতা দখলকারী চাচাসহ অন্যদের হত্যা করে শোধ নেয় হ্যামলেট। হত্যার সেই নিষ্ঠুরতা নিয়ে নয়, মানুষ সম্পর্কে হ্যামলেটের মূল্যায়ন আমাকে ভাবিত করে। হ্যামলেট মানুষের দুটি অংশ দেখতে পান। তার চোখে মানুষের মূল্যায়ন অনেকটা এমনই— মানুষ কী অনবদ্য সৃষ্টি, বুদ্ধি বিবেচনায় কেমন মহৎ, মানসিক শক্তিতে অনিঃশেষ আকারে-আচরণে বিস্ময়কর, কর্মে দেবদূত, প্রাণীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তবুও সেই মানুষ আমার কাছে ধূলিকণার ভিতরকার একটি কণা ভিন্ন অন্য কিছু নয়। পবিত্র কোরআনেও মানুষকে একদিকে সৃষ্টির সেরা হিসেবে বলা হয়েছে। আবার মাটি দিয়ে বানানো খুবই সাধারণ হিসেবে বর্ণনা আছে। বাস্তবেও মানুষ একদিকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, অন্যদিকে কিছুই না। বাস্তবতা এমনই। সেদিন একটি টেলিভিশনে অনুষ্ঠান দেখছিলাম। এক জংলির ওপর খুশি হয়ে বনের সর্দার জানতে চান কী চাও আমার কাছে? যা চাও তাই পাবে। জবাবে জংলি জানায়, মানব সমাজে যেতে চাই। শহরের সভ্যতা দেখতে চাই। সঙ্গে সঙ্গেই সে সর্দার প্রস্তাব পাস করলেন। বনের জংলিকে পাঠালেন শহর দেখতে। মানব সমাজের সভ্যতা দেখে ঘোর লেগে যায় বনের জংলির। রাজশাহী গিয়ে দেখতে পায়, শিক্ষককে অকারণে জবাই করা হচ্ছে। সিলেটে দেখল পিটিয়ে শিশু রাজনকে খুন করা হচ্ছে। এরপর এই খুনের ছবি আপলোড করা হয় সামাজিক গণমাধ্যমে। খুলনায় আরেক শিশুকে খুন করা হয় মেশিন দিয়ে পাম্প করে পেটে গ্যাস ভরে। এসিড ছুড়ে মারা হয় নিরীহ নারী-শিশুদের ওপর। মানুষ খাবারে ভেজাল মেশাচ্ছে। ওষুধে ভেজাল মেশাচ্ছে। চারদিকের ভয়ঙ্কর সব নিষ্ঠুরতা দেখে বনের জংলি চিৎকার করতে থাকে আমি কোথায় এলাম। আমাকে আবার বনে ফিরিয়ে নাও। মানুষের মানবিক মূল্যবোধগুলো শেষ হয়ে যাচ্ছে। নীতি ও নৈতিকতা বলে কিছু নেই। বাঁশ দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণের খবর দেখলাম পত্রিকায়। মাঠ পর্যায়ের একজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে কথা হচ্ছিল। বলে রাখা ভালো, আমার কাছে কুমিল্লা ও নাঙ্গলকোটের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও মাঝে মাঝে আসেন। গল্প-গুজব করেন। সুখ-দুঃখ শেয়ার করেন। কী কারণে যেন বিভিন্ন জেলা থেকেও অনেক রাজনৈতিক নেতা আমার কাছে আসেন। সেদিন এক প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা বললেন, হাইব্রিড, নবাগত, বহিরাগতদের যন্ত্রণায় মাঝে মাঝে মনে হয় রাজনীতি ছেড়ে দিই। আমি বললাম কেন? বললেন, টেলিভিশন খুললে টকশো দেখে মেজাজ খারাপ হয়। এত আওয়ামী লীগ আমরা কোথায় রাখব জানি না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেও আওয়ামী লীগের যারা সমালোচনা করতেন এখন তারা কড়া আওয়ামী লীগার। তাদের বক্তব্যের সময় অনেকে ইচ্ছা করলে তেলের বাটি টিভি সেটের নিচে রেখে দিতে পারেন। পুরো এক সপ্তাহ আর তেল কেনা লাগবে না। কেন তারা এমন করছেন? ভয়ঙ্কর খবর। চাওয়া-পাওয়ার লোভেই এই মানুষগুলোর বদলে যাওয়া। কঠিন বাস্তবতা। দেশটা এখন তেলে ভাসছে। তেলের পরিমাণ দেখে আমার ভয় লাগছে। কারণ অতি তেলে সবকিছু পিছলা হয়ে ওঠে। তখনই হোঁচট খাওয়ার ভয় থাকে। তেলবাজদের দরকার নেই। দরকার সত্যিকারের সমালোচকদের। যারা সরকারকে পথ দেখাবে। সব ব্যাপারে আহ বেশ বেশ বলবে না। আবার অকারণে সমালোচনাও করবে না। ভালোকে ভালো, মন্দকে মন্দ বলবে। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলবে। তোষামোদকারীদের নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছি। কারণ সরকার কোনো কারণে হোঁচট খেলে এই তোষামোদকারীদের খুঁজে পাব না। ’৯১ সালে নির্বাচনের পরের চিত্র মনে আছে, ২০০১ সালের কথাও ভুলিনি। ওয়ান-ইলেভেনের সময়কার কথাও কারও অজানা নয়। সুতরাং সময় থাকতে সাধু সাবধান। তোষামোদকারী অতি উৎসাহীদের খেদাও আন্দোলন ত্যাগী নেতা-কর্মীদেরই করতে হবে। সত্যিকারের খাঁটি আওয়ামী লীগারদের দেখতে চাই নেতৃত্বে, সরকারে।  নবাগত, বহিরাগত, হাইব্রিডরা সবসময় হয় ভয়াবহ। কিছু লোক বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে অতি বিএনপি হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে অতি আওয়ামী লীগ হয়ে যায়। সমস্যা অতিদের নিয়েই।  এই সুযোগ সন্ধানীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে দেশবাসীকে। – See more at: http://www.bd-pratidin.com/editorial/2016/04/27/141088#sthash.F02fX7v2.dpuf

13 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

ওমরাহ ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে পুরো সৌদি আরব। বাংলাদেশিরাও এই সুযোগ নিতে পারেন। গত সপ্তাহে সৌদি প্রিন্স সুলতান বিন সালমান ওমরাহ পরবর্তী সৌদি ভ্রমণের (পোস্ট ওমরাহ প্রোগ্রাম) নতুন এক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সৌদি বাদশাহ সালমানের পুত্র সুলতান বর্তমানে দেশটির ট্যুরিজম এবং ন্যাশনাল হেরিটেজ কমিশনের প্রেসিডেন্ট। প্রিন্স পবিত্র ওমরাহ পালনকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সৌদি ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে তিনি এ-ও জানান, নতুন কর্মসূচির আওতায় ওমরাহ পালনকারীরা ইচ্ছা করলে তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন। বর্ধিত সময়ের জন্য তারা ট্যুরিস্ট হিসেবে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন, তাদের ভিসা ট্যুরিস্ট ভিসা হিসেবেই বিবেচিত হবে। সুলতান বিন সালমানকে উদ্ধৃত করে সৌদি আরবের শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যম সৌদি গেজেট দেশটিকে বিশ্ব মুসলমানদের পছন্দের ‘গন্তব্য’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, সৌদি নেতৃত্ব এমন উদ্যোগ আরও অনেক বছর আগে নিয়েছিল। এ নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে জানিয়ে রিপোর্টে বলা হয়, সমপ্রতি সৌদি প্রিন্স সুলতান বিন সালমান আনুষ্ঠানিকভাবে পরিমার্জিত ‘পোস্ট ওমরাহ কর্মসূচি’ ঘোষণা করেন। রিয়াদে এক অনুষ্ঠানের সমাপনীতে ঘোষিত কর্মসূচির বিষয়ে একটি প্রেস স্টেটম্যান্টও দেন প্রিন্স। বলেন, ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সৌদি আরবের ল্যান্ডমার্ক বিশেষ করে ইসলামের ঐতিহাসিক নগরগুলো দেখার সুযোগ সৃষ্টিতে এ কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। সেখানে তারা ভ্রমণের আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলো, শপিং সেন্টার ও মল সমূহ দেখার সুযোগ পাবেন। এ কর্মসূচির আওতায় ওমরাহকারীরা সৌদি আরবের সমৃদ্ধ সংস্কৃৃতি সম্পর্কে পরিচিত হওয়া ছাড়াও দেশটিতে চিকিৎসা, শিক্ষা এবং কেনাকাটা করতে পারেন। তারা যে কোনো প্রদর্শনী পরিদর্শন এবং কনফারেন্সেও অংশ নিতে পারবেন। কর্মসূচিটির বিস্তারিত এখনও চূড়ান্ত হয়নি বিশেষ করে ওমরাহ ভিসা কিভাবে ট্যুরিস্ট ভিসায় পরিবর্তন হবে তার কাঠামো এখনও ঠিক হয়নি জানিয়ে প্রিন্স বলেন, কর্মসূচিটি সহজ এবং আকর্ষণীয় করতে সৌদি ট্যুরিজম এবং ন্যাশনাল হেরিটেজ কমিশন দেশটির স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও হজ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। ভিন্ন ফর্মে কর্মসূচিটি নিয়ে অনেক বছর ধরে যে স্টাডি চলছে সেটি তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে বলে আশা করেন তিনি। বিশ্বের  বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসার জন্য বিজনেস ভিসায় সৌদি গমনকারী এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা পোস্ট ওমরাহ প্রোগ্রামের সুবিধা নিতে পারবেন বলেও ঘোষণা করেন প্রিন্স। সৌদি সরকারের এ ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন দেশটিতে থাকা ভিনদেশি কূটনীতিকরা। বিশেষ করে মুসলিম দেশের প্রতিনিধিরা। রিয়াদে থাকা বাংলাদেশের এক কূটনীতিক মানবজমিনের সঙ্গে আলাপে গত বৃহস্পতিবার বলেন, আমরা আশাবাদী বাংলাদেশিরাও এ সুযোগ পাবেন। আগ্রহীরা দেশটির আইনকানুন মেনেই এ সুবিধা ভোগ করবেন বলে আশা করেন ওই কূটনীতিক।

11 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

লক্ষাধিক পর্যটক চীনের গোপন শহর দেখতে গেলেও, তাদের জন্য খোলা হয় না শহরের দরজা। এমনকি শহরের ভেতরে অবস্থিত বিশাল প্রাসাদের মাঝে গোপন বাগানেও কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। বহির্দেশীয় পর্যটক তো দূরের কথা, চীনা কোনো সাধারণ মানুষকেও প্রবেশ করতে দেয়া হয় না ওই বাগানে। আঠারো শতকের শুরুর দিকে এই প্রাসাদ সংলগ্ন গোপন বাগানটি তৈরি করা হয়েছিল।

গোপন শহরের প্রাসাদে বসবাসরত সর্বশেষ সম্রাটকে এক সফল অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হঠিয়ে দিয়ে পিপলস রিপাবলিক অব চীনের সূচনা হয়েছিল।
রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক এক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ওই নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল চীনের রাজনীতিতে। সেই থেকেই বলতে গেলে এই প্রাসাদটির দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিপ্লব পরবর্তী চীনে ওই প্রাসাদ এবং গোপন বাগানটি অযত্ন আর অবহেলায় প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন সরকারের ঐকান্তিক চেষ্টায় শেষমেশ ওই প্রাসাদ এবং বাগানটি ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় একশ’ বছর বন্ধ থাকার পর গোপন বাগানের দরজা এই প্রথমবারের মতো খুলে দিতে পারে চীনা সরকার।

১৫ শতকের চীনে এই প্রাসাদটিই ছিল মূলত সব ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল। মিং সাম্রাজ্যের আমল থেকে এই প্রাসাদটিকে সম্রাটের বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং ১৯১২ সাল পর্যন্ত সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। এতদিন পর কেন তবে প্রাসাদ এবং বাগান খুলে দেয়া হচ্ছে এর সুষ্ঠু উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে চীনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে যে, চীন সরকার তাদের দেশের এক প্রাচীন দর্শনীয় স্থান যেনতেনভাবে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারে না। তাই এতদিন অপেক্ষা করা হয়েছে এর সংস্কারের জন্য। এখানে উল্লেখ করা দরকার যে, বিশ্ব স্থাপত্য শিল্পের ইতিহাসে চীনের এই প্রসাদটি একটি বিস্ময়। তৎকালীন সময়ে কোনো প্রযুক্তি খাটিয়ে এতবড় প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়েছিল তা আজও বিস্ময় জাগায় মানুষের মনে।
প্রাসাদটির সংস্কারের অধিকাংশ কাজই শেষ হয়ে যায় মূলত ২০০৮ সালে। দেশটির একটি বিশেষ দল এই সংস্কারের কাজ করে যাচ্ছেন আজ অনেকগুলো বছর ধরে। ধারণা করা হচ্ছে, চীনা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় প্রাসাদটিকে সাবেক রূপে ফিরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন।

ঐতিহ্যগতভাবে যে সব উপাদানগুলো আজ সহজে পাওয়া যায় না, সেগুলোও জড়ো করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কারণ বিপ্লব পরবর্তী সময়ে অবহেলা আর নতুন সাংস্কৃতির বিপ্লবের কারণে রাজা-বাদশাদের অধিকৃত সম্পদের অধিকাংশই জনরোষে ধ্বংস হয়ে যায়, নয়তো অবহেলায় ধীরে ধীরে ধ্বংস হতে থাকে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ২০২০ সালে বিশ্বের সবার জন্য খুলে দেয়া হবে সেই গোপন ফুলের বাগান। আর তখনই কেবল জানা যাবে, এত বছর ধরে ওই বাগানে কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে আমাদের জন্য।

14 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

এক ধরণের ভুতুড়ে অনুভূতি ঢাকায়। একটানা হত্যাকাণ্ডের পর শহরের শিক্ষাবিদ, কর্মী, সমকামী সম্প্রদায়ের কাছে ঢাকাকে কোন যুদ্ধক্ষেত্রের চেয়েও ভয়ানক লাগছে। বৃটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের রবিবারের সংখ্যা দ্য অবজার্ভারে বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে এভাবেই বর্ণনা করা হয়েছে। গত তিন মাসে অন্তত ১৬ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয় ব্লগার, দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, এক ইতালিয়ান প্রিস্ট, দুই বিদেশী ও এক সমকামী অধিকার কর্মী রয়েছেন। শনিবার নিখিল জোয়ার্দার নামে এক হিন্দুকে টাঙ্গাইলে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ২০১২ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি নবী মোহাম্মদ (সাঃ)-এর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন। ওই অভিযোগের সঙ্গে তাকে হত্যার সম্পর্ক থাকতে পারে।
অন্যান্য টার্গেটের মধ্যে রয়েছে খুব উঁচু মানের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিজীবী ব্যক্তিত্ব। আছে কিছু সাধারণ নাগরিকও। এদের হয়তো খুন করা হয়েছে স্রেফ তাদের জীবনধারা নিয়ে আপত্তির কারণে। হতাহতদের মধ্যে বৈচিত্র্য রয়েছে। এ হত্যাযজ্ঞের প্রতি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ছিল শ্লথ। ফলে নিহতদের সঙ্গে মিলে যায় এমন ভাবধারার মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।
‘আমি আফগানিস্তানে ছিলাম। কিন্তু আমি এখানে যতটা চিন্তিত, সেখানে কখনই এতটা ছিলাম না। অথচ, আফগানিস্তানে হুমকি ছিল অস্তিত্বের।’ Ñ বলছিলেন এক সমকামী আমেরিকান। তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে অনেকদিন ছিলেন। এখন বাংলাদেশে বসবাস করছেন তিনি। প্রতিবেদককে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন তার নাম যেন না লেখা হয়।
তার বন্ধুদের মধ্যে যারা মারা গেছে, তাদের একজন জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব রাব্বি তনয়। জুলহাজ রূপবান নামে দেশের একমাত্র এলজিবিটি ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ৬-৭ জন দুর্বৃত্ত কুরিয়ার কো¤পানির কর্মীর ছদ্মবেশে তাদের ঘরে ঢুকে। এরপর তাদের কুপিয়ে হত্যা করে।
বাংলাদেশে সমকামিতা অবৈধ। সমকামী সম্প্রদায়ের অনেকেই নিজের এ পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে ছিলেন। এখন তারা নিজেদের জান নিয়েই ভয় পাচ্ছেন। খুনের দরুণ অনেক তরুণ নিজেদের দৈনন্দিন রুটিন পালটে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন।
‘জুলহাজ ও তনয়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ হওয়ার পর, অনেক তরুণ-তরুণী সমকামীর যৌন-পরিচয়ের খবর পরিবারের কাছে প্রকাশ হয়। অথচ, এখনই নিজেদের পরিবারকে জানাতে তারা প্রস্তুত ছিলেন না।’ Ñ এ কথাটি বলেছেন মান্নানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি আমেরিকায় বসবাস করেন। নিজের নাম তিনিও জানাতে চাননি। তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন মানুষকে জানি যারা প্রায় ৭ দিন ধরে কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছেন না।’
এ হত্যাযজ্ঞের শকওয়েভ সমকামী বা অ্যাক্টিভিস্ট সম্প্রদায়কে ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে ক’টনীতিক ও উন্নয়নকর্মীদের ভেতরও। মান্নান ছিলেন আমেরিকান দূতাবাসের সাবেক কর্মী। মৃত্যুর আগে তিনি মার্কিন সরকারের উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডি’তে কাজ করতেন।
‘তারা (জঙ্গিরা) এমন মানুষকে মেরে মনোযোগ কাড়তে চায়, যাদের মৃত্যুর ফলে ব্যাপক প্রচারণা পাওয়া যাবে’ Ñ বললেন আরেক আমেরিকা প্রবাসী। তিনিও সমকামী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভ’ক্ত। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টি কিছু ব্যাপার নিয়ে আমাকে দুইবার ভাবায়।’ হামলাকারীরা রাজধানী ছেড়ে অনেক দূরেও দেশের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনেও আঘাত হানছে। মান্নান ও তনয়কে হত্যার দুই দিন আগে, মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি রাজশাহীর একটি বাসস্টপে নামে। এরপর তারা কুপিয়ে হত্যা করে রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে। ইসলামিক স্টেট (আইএস) দাবি করেছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে ‘নাস্তিক্যবাদিতার দিকে আহ্বান করা’র জন্য।
রেজাউল করিম সিদ্দিকী ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক। তিনি ছিলেন একজন গায়ক। ধর্মপ্রাণ মুসলমানও ছিলেন তিনি। ছিল না কোন রাজনৈতিক সং¯পর্শ। সেতার বিশেষ প্রিয় ছিল তার। নিজের গ্রামের বাড়ির মসজিদে তিনি নিয়মিত দান করতেন। স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাহায্য করেছিলেন। এ কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক স¤পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহম্মদ শহিদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘যে কেউ টার্গেট হয়ে যেতে পারতো।’
আতঙ্কিত অনেকে মনে করছেন যে, ঠিক এটাই ছিল খুনীদের উদ্দেশ্য। এক মাসে পাঁচটি নৃশংস হত্যাকা- গোটা বাংলাদেশী সমাজেই শীতল প্রভাব ফেলেছে। সেকুলার অ্যাক্টিভিস্টিদের গ্রুপ গণজাগরণ মঞ্চের নেতা ইমরান এইচ. সরকার বলেন, ‘নাগরিক স্বাধীনতা নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে আমার উপস্থিতি কমিয়ে ফেলতে হয়েছে। এমনকি ক’দিন আগেও পরিস্থিতি এতটা ভীতিজনক ছিল না।’
সবগুলো হামলার দায় হয় আইএস স্বীকার করেছে, নয়তো আল কায়দা ইন দ্য সাব কন্টিনেন্টের শাখা আনসার আল ইসলাম। কিন্তু বাংলাদেশে আন্তঃদেশীয় জিহাদি গ্রুপগুলোর অস্তিত্ব অস্বীকার করে আসছে কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, ঘরোয়া জঙ্গিরাই এসব হামলা চালাচ্ছে। এ জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসূত্র আছে প্রধান বিরোধী দলের, যারা কিনা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়।
যে-ই এ হত্যাযজ্ঞের পেছনে থাকুক না কেন, দেশে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ার উদ্বেগজনক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অথচ, ১৬ কোটি জনসংখ্যার এ দেশটি চরমপন্থা প্রতিরোধে এতদিন পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে সফল ছিল।
ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি মুসলিমরা উদারপন্থী মুল্যবোধ ধারণ করে আসছে। বলছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক আফসান চৌধুরী। তার মতে, ওই ঐতিহ্য এখন হুমকির মুখে। তার ভাষায়, ‘রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে গেছে। ইসলামী জঙ্গিবাদ গত ১০-১৫ বছর ধরে কেবল বেড়েছে।’
প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের মিত্রদের বয়কট করা ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতারোহন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই কর্তৃপক্ষ সহিংসতা উস্কে দেয়ার অভিযোগে জ্যেষ্ঠ বিরোধীদলীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে।
আফসান চৌধুরী বলেন, ‘সরকার বিরোধী দলকে এই মাত্রার শাস্তি দিয়েছে যে, তারা এখন আর রাজনৈতিক শক্তি নয়।’ শক্ত বিরোধী দল না থাকায় যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে পুরো পরিবেশ আঁচ করার অযোগ্য হয়ে উঠেছে।
২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিক হত্যাকা- শুরু হয়। অ্যাক্টভিস্টরা দাবি জানিয়েছিল যে, ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহযোগীতার দায়ে দোষী সবাইকে মৃত্যুদ- দিতে হবে।
যাদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে, তাদের অনেকেই বিরোধী দল ও তাদের মিত্র দলগুলোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখছে না, এমন অভিযোগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো ব্যাপক সমালোচনা করে। একটি ইসলামী গোষ্ঠী হেফাজতে ইসলাম তখন ৮৪ জন নাস্তিক ব্লগারের তালিকা প্রকাশ করে। গোষ্ঠিটি দাবি জানায় যে, অনলাইনে ধর্মের প্রতি অবমাননাকর কর্মকা-ের জন্য এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে সরকারের। ২০১৩ সালের পর থেকে হতাহতদের মধ্যে অন্তত ৫ জনের নাম এ তালিকায় ছিল।
আবার এ তালিকায় থাকা অন্যদের জন্য সরকারীভাবে সমর্থনও খুব কম। ভুক্তভোগীদের পরিবার ও ঝুঁকিতে থাকা ব্যাক্তিদের শঙ্কা, পুলিশের তদন্ত খুবই শ্লথ ও অকার্যকর। এখন পর্যন্ত ৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে মাত্র দুই জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ব্লগার আহমেদ রাজি হায়দারকে খুনে জড়িত থাকার দায়ে তাদের মৃত্যুদ- দেয়া হয়েছে।
ইমরান এইচ. সরকার বলেন, ‘একটি গ্রেপ্তার মানেই ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা নয়।’ অনেকের মধ্যে হতাশা রয়েছে যে, নিহত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান ব্লগার অভিজিৎ রায়ের কিছু হত্যাকারী দেশ ছেড়ে পালাতে পেরেছে। জুলহাজ মান্নানের হত্যাকা-ের পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অধ্যাপক শহিদুজ্জামান বলেন, ‘মান্নান হত্যাকা-ে সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের ধরতে চেষ্টা করবে সরকার। কিন্তু তারা আদৌ আসল দোষীদের ধরতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ অনেক।’
যারা হামলা থেকে বেঁচে গেছেন, তারা মনে করেন তাদের কথা সবাই ভুলে গেছে। আশা মনির স্বামী ব্লগার নিলাদ্রী চট্টপাধ্যায়কে তার সামনেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অথচ, পুলিশ তার সঙ্গে গত পাঁচ মাসে একবারও যোগাযোগ করেনি বলে জানান তিনি। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন তারা এ মামলায় ৫ সন্দেহভাজনকে আটক করেছে।
অনেকের উদ্বেগ এখানে যে, কর্তৃপক্ষের উচিৎ খুনীদের ধরা, ভিকটিমদের দোষারোপ করা নয়। বাংলাদেশ পুলিশ প্রধানের এক বিবৃতির দিকে তারা নির্দেশ করেন। মান্নান হত্যার পর পুলিশ প্রধান বলেছিলেন যে নাগরিকদের উচিৎ তাদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হওয়া। বিভিন্ন সময় কর্মকর্তারা ধর্ম নিয়ে লেখালেখি করায় ব্লগারদের দায়ী করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মান্নানের ওই বন্ধু বলেন, ‘যেটা আমাকে সবচেয়ে বেশি দুঃখ দেয়, তা হলো, সরকার এ হত্যাকা-ের অন্যান্য মোটিভ বের করতে অতিরিক্ত কসরত করছে।’
এমনকি কর্তৃপক্ষ যদি খুনীদের খুঁজে বের করে বিচার করতে প্রচেষ্টা বাড়ায়ও, ভয় কমবে না। ঢাকার ক’টনীতিক পাড়ায় বসবাস করেন, এমন এক সমকামী বিদেশী বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকালে পার্কে হাটি। আজকে এক ব্যক্তি ছুরি সহ আমার দিকে আসছিল। যখন সে আমাকে ছাড়িয়ে চলে যায়, তখন আমি পেছনে ফিরে নিশ্চিত হই যে, আসলেই সে চলে গেছে কিনা।’ এই ব্যক্তি নিজের ভয়কে দূর করতে পারেননি। এমনকি পরে যখন তিনি বুঝতে পারলেন ছুরি সহ ওই লোকটি আসলে পাশের মাঠে ঘাস কাটতে গেছে, তখনও ভয় পিছু ছাড়েনি তার।

12 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

২০০১ ও ২০০৩ সালে ‘টম্ব রেইডার’ গেম সিরিজ নিয়ে নির্মিত দুটি ছবিতে লারা ক্রফটের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। এরপর এর নতুন কিস্তি হবে হবে করেও আর হয়নি। ১৩ বছর পর অবশেষে গেমসটি অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে নতুন ছবি। তবে এবার জোলি নন, প্রতœতত্ত্ববিদ-অভিযাত্রী লারা ক্রফট চরিত্রে দর্শকরা দেখবেন অ্যালিসিয়া ভিক্যান্ডারকে। ছবিতে অভিনয়ের জন্য এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এ বছর সেরা পার্শ্বঅভিনেত্রী হিসেবে অস্কারজয়ী এ অভিনেত্রী। জানা গেছে, লারা ক্রফট চরিত্রের জন্য প্রথমে ডেইজি রিডলি, এমিলিয়া ক্লার্ক, কারা ডেলেভিন ও জেমা আর্থারটনের কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দান মারলেন ২৭ বছর বয়সী অ্যালিসিয়া।

সম্প্রতি ম্যাট ডেমনের সঙ্গে ‘জেসন বোর্ন’ সিরিজের নতুন পর্বে অভিনয় করেছেন অ্যালিসিয়া। এটি মুক্তি পাবে চলতি বছরের শেষভাগে। আর নতুন টম্ব রেইডার ছবিটি আসবে ২০১৭ সালের শেষ প্রান্তে। টম্ব রেইডার গেমসের মাধ্যমে লারা ক্রফট প্রথম বাজারে আসে ১৯৯৬ সালে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এর সাড়ে ৪ কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। গেমিং বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রের মধ্যে লারা অন্যতম। বাদামি পনিটেইল, ফিরোজা রঙা ট্যাঙ্ক টপ ও দুটি পিস্তলÑ এটাই তার চেনা রূপ। লারা ক্রফটই গেম দুনিয়ার প্রথম কোনো নারী চরিত্র, যাকে নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে।

28 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

*please excuse the google ads or other sponsors ads. Although Ad may show something Awesome as somewhat surprise ! 



Amazon Audible: Experience the World’s Largest Library of Audiobooks.

mcb post icon
: ) Play with MCB Posts 
as if those are your posts !

Power to Edit/Add/Improve any Post ! 

Visit  MCB Policy





My Page:

6,703 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!