Welcome To MCB

4.4
(10)

Publish News, Views, Consciences, Etc. 

mcb post icon

চট্টগ্রামের করোনা বিষয়ক সংবাদগুলো পোস্ট করুন এই গ্রূপে অথবা এই পেজে
0
(0)

গ্রূপে জয়েন করতে ইমেজটি ট্যাপ করুন –

14 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

ঘরেই থাকুন নিরাপদে। কোয়ারেন্টাইন ব্রেক করবেন না । কি লাগবে বলুন – আমরা আছি তো !
0
(0)

evaly stayhome

ঘরে থাকুন নিরাপদে । কি লাগবে বলুন – আমরা আছি তো !

প্রিয় ভিওয়ার্স , ঘরে বসেই আপনার নিত্যপণ্যগুলো অর্ডার করে আনতে  পারেন এই অনলাইন অর্ডার পোর্টালটির মাধ্যমে।  ঘরেই থাকুন।  কোয়ারেন্টাইন ব্রেক করবেন না।

Evaly Express Shops

Evaly Express Mohammadpur

Evaly Express Mohammadpur

Evaly Express Badda

Evaly Express Badda

Evaly Express Dhanmondi

Evaly Express Dhanmondi

Evaly Express Gulshan

Evaly Express Gulshan

Evaly Express Rampura

Evaly Express Rampura

Evaly Express Shahbagh

Evaly Express Shahbagh Evaly Express Tejgaon Evaly Express Banani Evaly Express Uttara 2 Evaly Express Moghbazar Evaly Express Pabna Evaly Express Bashundhara Evaly Express Doulatpur, Khulna Evaly Express Gouripur, Comilla Evaly Express Sreemangal Sadar Evaly Express Chandpur Evaly Express Namabazar, Savar Evaly Express Bakolia, Chattagram Evaly Express Nilphamari Evaly Express Ishwardi Evaly Express Motijheel 2 Evaly Express Nakhalpara Evaly Express Sonirakhra, Matuail Evaly Express Ambarkhana, Sylhet Evaly Express Bandar Bazar, Sylhet Evaly Express Uposhohor, Sylhet Evaly Express Madina Market, Sylhet Evaly Express Habiganj Sadar, Sylhet Evaly Express Thakurgaon (Tong Bazar) Evaly Express Mohammadpur (Khaleque and Sons) Evaly Express Rajshahi City

Terms & Conditions

১) ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপে শুধুমাত্র প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট (ডেইলি নিড) বাজারমূল্যে পাওয়া যাবে। ২) প্রতিটি এলাকার জন্য নির্ধারিত ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ থাকবে। সকল কাস্টমারগণ যার যার নিকটবর্তী এক্সপ্রেস শপ থেকে প্রোডাক্ট অর্ডার করতে পারবেন। ৩) ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ থেকে অর্ডার করা পণ্য ১ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ ঘন্টার মধ্যে হোম ডেলিভারি দেয়া হবে। ৪) প্রতি অর্ডারে কাস্টমারগণ নির্ধারিত পরিমাণ পণ্য কিনতে পারবে এবং শর্ত অনুযায়ী অর্ডারের ক্ষেত্রে ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি। ৫) ১ একাউন্ট থেকে প্রতিদিন ১টি ইনভয়েসের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা পরিমাণের প্রোডাক্ট অর্ডার করা যাবে। ৬) ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ থেকে পেমেন্ট করা যাবে ইভ্যালি বিকাশ মার্চেন্ট নাম্বার (01704169596), পেমেন্ট গেটওয়ে কিংবা ব্যাংকে চেক ডিপোজিটের মাধ্যমে। ৭) নতুন পেমেন্টের ক্ষেত্রে ৭দিন পর ১০% ক্যাশব্যাক যোগ হবে। অনিবার্য কারনবশতঃ ক্যাম্পেইনে যেকোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা পরিমার্জেনের সম্পূর্ণ অধিকার ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

বিঃদ্রঃ – প্রোডাক্ট প্রাইস ৫০০ টাকার নিচে হলে অনুগ্রহকরে একাধিক প্রোডাক্ট কার্টে অ্যাড করে অর্ডার প্রসেস করুন।

14 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

The Next BIG Thing by Startup Stories | Feature your Startup / Product | Entreprenuer Stories
0
(0)

The Next BIG Thing by Startup Stories | Feature your Startup / Product | Entreprenuer Stories

Startup Stories

15 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!


0
(0)

Prothom Alo

12 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস থেকে সতর্কতার জন্য সারাদেশে এখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার অংশ হিসেবে প্রায় লকডাউনের মতোই চলছে। এমতাবস্থায় জনসমাগম খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সরকার ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যে নিয়ম দিয়েছেন তা আমাদের মেনে চলতে হবে। কোরআন-সুন্নাহও আমাদের এসব সতর্কতা মেনে চলার বাধ্যতামূলক বিধান দিয়েছে।

তাই আজ জুমার জায়গায় নিজ নিজ অবস্থানে জোহর পড়ে নিব। সাধারণভাবে জুমা এ পরিস্থিতিতে প্রত্যেক নামাজির জন্য ওয়াজিব নয়। জামে মসজিদগুলোতে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও নিকটস্থ গুটিকয়েক মুসল্লি স্বাস্থ্যসুরক্ষার নীতি মেনে অতি সংক্ষেপে শুধু খুৎবা ও জুমা সেরে নেবেন।এভাবেই দারুল উলুম দেওবন্দ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অনুরোধে দেশবরেণ্য মুফতিগণ, সর্বভারতীয় মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড, মুফতি খালিদ সাইফুল্লাহ রহমানি, আল্লামা মুফতি তাকি উসমানীসহ উপমহাদেশের বিশিষ্ট ফিকাহবিদগণ নির্দেশনা দিয়েছেন। যেসবের ফতোয়া ও নির্দেশনার বিভিন্ন ভাষার কপি অনলাইনে দেওয়া আছে। দৈনিক ইনকিলাবকে টেলিফোনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সচেতন নাগরিক, সমাজের বিশিষ্টজন ও মসজিদের খতিবগণ যেসব বিষয়ে লেখার জন্য বলেছেন এর দু’একটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হলো:

১. যেখানে জুমা হবে প্রত্যেকেই ঘর থেকে অজু-ইস্তেঞ্জা করে সুন্নত, নফল ঘরে পড়ে শুধু খুৎবা ও জুমার জন্য যতদূর সম্ভব কম সময়ের জন্য মসজিদে আসবেন। সবাই স্বাস্থ্যসুরক্ষা নীতি কঠোরভাবে মেনে চলবেন। হাতে হাত বা বুকে বুক মেলাবেন না। হাঁচি, কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা থাকলে অবশ্যই মসজিদে আসবেন না। কারো হাঁচি এসে গেলে তা রুমাল, টিস্যু বা নিজের হাতায় নেবেন। কাতারের দূরত্ব ও মুসল্লিদের মধ্যকার ফাঁকা জায়গা নির্দেশনা মতো বাড়িয়ে নেবেন।

২. বেশি বয়স্ক মুসল্লি ও শিশুরা জুমার দিনে আবেগে মসজিদে আসতে চান। কিন্তু এ ভাইরাস যাদের বয়স বেশি, রক্ত চাপ, ডায়াবেটিস, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি রয়েছে তাদের সহজে ঘায়েল করে। অতএব, ছোট্ট শিশু ও বয়স্ক মুসল্লিরা জুমায় আসবেন না। বাসায় জোহর পড়বেন।

৩. জুমার নামাজ যতদূর সম্ভব সীমিত মুসল্লি কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ করে সোজা ঘরে ফিরে যাবেন। বাংলা বয়ান দু’চার মিনিটে শেষ করে অতি সংক্ষিপ্ত খুৎবা দু’টি প্রদান করবেন। ছোট সূরা দিয়ে সংক্ষেপে জুমার দু’ রাকাত নামাজ পড়ে মুসল্লিদের ছেড়ে দেবেন। খুৎবায় আল্লাহর প্রশংসা, রাসুল সা. এর উপর দুরুদ, সালাম, কিছু নসিহত ও দোয়া থাকাই যথেষ্ট। এ জন্য হামদ-সানা দুরুদের পর নসিহত ও দোয়ার জন্য এক দু’খানা আয়াত ও হাদিস এবং মসনুন দু’একটি যিকর-দোয়া এবং তাসবীহ-ইস্তেগফার করে দেয়াই সংক্ষিপ্ত খুৎবার রূপরেখা। জরুরি অবস্থায় খুব ছোট সূরা ও কিছু আয়াত দিয়ে নামাজের কেরাত শেষ করতে হয়। যেখানে জুমা হবে সেখানে সুস্থ ও যুবক কিছু মুসল্লি সব নিয়ম মেনে এভাবেই জুমা পড়বেন। পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গেলে লকডাউন উঠে গেলে সবাই ইনশাআল্লাহ প্রাণ খুলে দীর্ঘ সময় নিয়ে জুমা ও পাঞ্জেগানা জামাত আমরা পড়তে পারব।

৪. বাড়িতে বসে দোয়া-দুরুদের চেয়েও অধিক গুরুত্ব রাখে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। নামাজগুলো পড়তে হবে। এর দ্বারা মানুষ আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। হায়াত, দৌলত, রিজিক, রহমত, বরকতের জিম্মা তখন আল্লাহ নিয়ে নেন। বাড়িতে সবাই নামাজ পড়ার পাশাপাশি তওবা-ইস্তেগফার, দোয়া, দুরুদ, জিকির ও তেলাওয়াতে সময় কাটাই।

৫. হাদিস শরীফে আছে, ‘আস ছাদকাতু তারুদ্দুল বালা’ অর্থাৎ দান-সদকা বালা মুসিবত রোধ করে। অতএব, নিজের চেনাজানা কাছে দূরের কিংবা যে কোনো অভাবী মানুষকে এ সময়ে সাহায্য সহযোগিতা করা সর্বোত্তম এবাদত। হাদিস শরীফে আছে, ঈমান ও ফরজ ইবাদতের পর সবচেয়ে বেশি সওয়াবের কাজ হলো কোনো মানুষের অন্তরকে খুশি করা। (কানজুল উম্মাল) এখানে অভাব দূর করা, জরুরি বস্তু কিনে দেয়া, ঋণমুক্ত করা, দুশ্চিন্তা দূর করার দ্বারা অন্তরকে খুশি করতে বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের এ বিপদকে সামনে রেখে পশ্চিমা জগতের ধনকুবেররা কল্পনাতীত অংকের দান করছেন। চ্যারিটিতে তারা অনেক এগিয়ে। বহু তারকা নিজেদের বাড়ি বিক্রি করে দিচ্ছেন। নিজের হোটেলকে আশ্রয়স্থল বা হাসপাতাল বানিয়ে দিচ্ছেন। প্রতিদিনই বিশ্ব মিডিয়ায় এসব খবর আসছে। বাংলাদেশেও সাধারণ মানুষ দানের ইবাদত কম-বেশি করে যাচ্ছেন। এখানে বিখ্যাত ধনবান, বিত্তশালী ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, নেতা-সমাজপতিসহ পয়সাওয়ালা পেশাজীবীদের এখনই এগিয়ে আসার সময়। মানবতার সেবা মানুষকে বিবেকের কাছে ভারমুক্ত করে। হায়াত, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুখ-শান্তি, সর্বোপরি আখেরাতে মুক্তি নিশ্চিত করে।

12 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

ঘরে থাকুন , প্রয়োজনে ফোন করুন – অন্তত দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন কোন অবস্থাতেই ব্রেক করবেন না !

সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসীরা প্রার্থনা করি।

18 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

হ্যান্ড ওয়াশিং এবং সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং – এই দুটোই এখন পর্যন্ত একমাত্র নিয়ম।

ঘরে থাকুন।

27 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গত মঙ্গলবার সকাল থেকে দেশের প্রতিটি বিভাগ-জেলায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করছে সেনাবাহিনী।

তারা সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা পর্যালোচনায় বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিচ্ছেন।

সারা দেশের সড়কে ও বাজারে করোনা সচেতনামূলক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন তারা। যাতে লেখা রয়েছে- ‘আতঙ্ক না ছড়াই সতর্ক থাকি সাহায্য করি’, ‘বিদেশ থেকে এসেছি যারা কোয়ারেন্টিনে থাকব তারা’, ‘ঘন ঘন হাত ধুই করোনা থেকে নিরাপদ রই’।

একই সঙ্গে জনসাধারণকে করোনা প্রতিরোধে সচেতন হতে মাইকিংও করছেন সেনাসদস্যরা। পাশাপাশি সেনাসদস্যদের বহনকারী গাড়িতেও করোনাপ্রতিরোধী সচেতনামূলক ব্যানার লাগানো রয়েছে। সেখানে লেখা- ‘অপ্রয়োজনে কেউ নিজ ঘরের বাহিরে যাবেন না’।

এর আগে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াও সেনাসদস্যদের সহায়তায় করোনার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে।

চীনের উহান প্রদেশে থেকে উৎপত্তি নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও হানা দিয়েছে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস। সারা বিশ্বে এই ভাইরাসে এ পর্যন্ত ২১ হাজার ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৭১ হাজার ৫৩৯ জন, আর সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ৬৯৪ জন।

এর মধ্যে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন, আর সুস্থ হয়েছেন ১১ জন।

source

10 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

প্রায় ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার হতে যাচ্ছে আইওই(IoE)

view more

19 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজারের বেশির ভাগ দোকান বন্ধ। যে কটি দোকান খোলা, সেখানেও সব পণ্যের দাম চড়া। চাল-ডাল-শাক-সবজি-মাছ, সবকিছুর দাম এক সপ্তাহ ধরেই বাড়ছিল। গত এক দিনে তা বেড়ে অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। ক্রেতাদের অনেককে মাছ-সবজির দাম শুনে শুধু শাক ও আলু কিনে বাড়ি ফিরতে দেখা গেল।

বাজার থেকে ৬ নম্বর বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতেই মনে হলো অন্য কোনো শহরে দাঁড়িয়ে আছি। চিরচেনা সেই যানজট ও ফুটপাতে ব্যস্ত মানুষের ছুটে চলা একদম নেই। ৬ নম্বর বাসস্ট্যান্ড থেকে ১০ নম্বর গোলচক্করের দিকে কিছুক্ষণ পরপর গুটিকয়েক বাস-প্রাইভেট কার সাঁ সাঁ করে চলছে। গলিগুলোতে যাত্রীদের আশায় হাতে গোনা কয়েকটি রিকশা; চালক হাঁকডাক দিচ্ছেন যাত্রীর আশায়। কিন্তু সাতসকালে সড়কগুলো ফাঁকা ময়দানে পরিণত হয়েছে। সড়কের দুই পাশে ছিন্নমূল মানুষগুলো হঠাৎ যেন ভোজবাজির মতো উধাও। কোথায় গেল তারা? নিজ গ্রামে?

রিকশায় উঠতেই চালক মোখলেস ফ্যাকাশে মুখে তাকিয়ে বললেন, ‘স্যার, দুই দিন ধইরা চালের টাকাই উঠতাছে না। সব তো বন্ধ হইয়া গেছে। আজকা আপনেই ফাস্ট প্যাসেঞ্জার। ঘরে চারজন খাওয়ার মুখ, দেশের বাড়িতেও টাকা দিতে হইতো। এখন সবাইরে নিয়া গ্রামে যাওয়া ছাড়া উপায় নাই।’

রাজধানীর অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের বিপুল পরিমাণে মানুষ করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় প্রায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে ফুটপাতের হকার, পরিবহনশ্রমিক ও দোকান কর্মচারী সবার একই অবস্থা। মাসের শেষে এসে এই সংকট শুরু হয়েছে। একদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে, অন্যদিকে সচ্ছল লোকজন বাসায় খাদ্য মজুত করছেন। নিম্নবিত্ত বেশির ভাগ মানুষ এখনো বেতন পাননি। ফলে অনানুষ্ঠানিক খাতের মানুষের আয় কমে গেছে।

এ ব্যাপারে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক কৃষিসচিব এ এম এম শওকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের এখন পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতির কারণে খাদ্য সহায়তার পরিকল্পনাটি ত্রাণকেন্দ্রিক। সাধারণ অন্য আট-দশটি দুর্যোগের সময় যেভাবে ত্রাণ দেওয়া হয়, সেভাবে তারা খাদ্য সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু এভাবে করলে অনেক মানুষ বড় ধরনের খাদ্যসংকটে পড়বে। তিনি বলেন, শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ তহবিল তৈরি করে এবং দরিদ্রদের একটি খাদ্য প্যাকেজের আওতায় আনতে হবে। আর পুরো পরিস্থিতি কীভাবে সামলানো যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্য গোষ্ঠীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরিকল্পনা করতে হবে।

করোনা সংক্রমণের এই সময়ে দেশের দরিদ্র মানুষেরা সবচেয়ে বিপদে পড়েছেন। অতি দ্রুত দেশের এই দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু করা উচিত বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা। দেশে সরকারি ও বেসরকারি গুদামগুলোয় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত থাকার কথা উল্লেখ করে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দ্রুত খাদ্য সহায়তা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলছেন তাঁরা। বিশেষ করে যেসব এলাকা করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন করা হয়েছে, সেখানে শুধু চাল ও আটা নয়, অন্যান্য খাদ্যপণ্য এবং ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত চাল ও অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি। যেখানে যতটুকু সহায়তা দরকার সেখান থেকে তা বণ্টন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ওই তালিকা জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে চূড়ান্ত হতে হবে। নয়তো দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। প্রয়োজন হলে আরও সহায়তা আমরা দেব। তবে আপাতত রেশন চালু করার পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

কোন দেশ কী করছে
যাতে খাদ্যসংকট দেখা না দেয়, সে জন্য বিশ্বের অনেক দেশেই নাগরিকদের জন্য খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু করেছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাড়ে সাত কোটি রাজ্যবাসীকে ছয় মাস বিনা মূল্যে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। কেরালা বিনা মূল্যে রেশন দিচ্ছে। অন্য রাজ্যগুলোও একই পথে হাঁটা শুরু করেছে। এর আগে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াও একই সুবিধা দিয়েছিল তাদের নাগরিকদের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৮ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। ওই বিশেষ প্যাকেজের মধ্যে ১০০ কোটি ডলার খাদ্য কর্মসূচিও থাকছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই খাদ্য সহায়তা চলবে বলে দেশটির সরকার।

এ ক্ষেত্রে ইউরোপের দেশগুলো আরও এগিয়ে। তারা করোনার কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের খাদ্য সহায়তা তো দিচ্ছে। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু দিচ্ছে। ফ্রান্স তার দেশের গৃহহীন মানুষের জন্য হোটেলগুলো উন্মুক্ত করে দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগপর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ওই হোটেলগুলোয় গৃহহীন মানুষ থাকবেন। যুক্তরাজ্য সরকার ২৫ লাখ মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশ কী করছে
করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি জেলায় ২০০ থেকে ৫০০ টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আর নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে দুই লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা। জেলাগুলোর আয়তন ও জনসংখ্যাকে বিবেচনা নিয়ে ওই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। লকডাউন হওয়া এলাকাগুলোয় খাদ্য সহায়তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আর কোথাও ওষুধ বা অন্য কোনো সহায়তা দরকার হলে তা নগদ টাকা দিয়ে কিনে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ১ লাখ ১০ হাজার খাবারের প্যাকেট তৈরি করা হয়েছে। তাতে ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আটা, দুই কেজি লবণ, এক কেজি চিনি, এক লিটার তেল ও নুডলস দেওয়া হয়েছে। কাদের ওই সহায়তা দেওয়া হবে তার তালিকা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তৈরি করলে সেই তালিকা ও চাহিদা অনুযায়ী ওই খাবারের প্যাকেট জেলাগুলোয় পৌঁছে দেওয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ওই সহায়তা দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোসাম্মাত নাজমানারা খানুম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা খোলা বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছি। অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও চলছে। তবে চালের চেয়ে আটার চাহিদা এখন পর্যন্ত বেশি। সরকার থেকে আমাদের আরও কোণ কর্মসূচির মাধ্যমে খাবার বণ্টন করতে বললে আমরা প্রস্তুত আছি।’

কারা বেশি বিপদে
অর্থনীতিবিদ ও গবেষকেরা বলছেন, ঢাকাসহ বড় শহরগুলোর দরিদ্র মানুষেরা এ ধরনের সমস্যায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন। গ্রামে কৃষিকাজসহ নানা কারণে সেখানকার দরিদ্রদের একধরনের সামাজিক নিরাপত্তা থাকে। কিন্তু শহরের গরিবদের আয়, বসতি, খাদ্য ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা শহরের অর্থনীতির সফলতার ওপরে নির্ভরশীল। শহরের অর্থনীতি কোনো কারণে অচল হয়ে গেলে সেখানকার গরিব মানুষেরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন। বাড়িভাড়া থেকে শুরু করে খাবার কেনা সবকিছু তাঁরা নগদ অর্থ দিয়ে কিনে থাকেন। রিকশাচালক, পরিবহনশ্রমিক, হকার, তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক, অন্যান্য শিল্পকারখানার শ্রমিক ও নিম্নস্তরের কর্মচারীরা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার রাইটসের (বিলস) জরিপ অনুযায়ী, ঢাকা শহরে রিকশাচালক আছে ১১ লাখ। তাদের ওপরে নির্ভরশীল পরিবারের সংখ্যা কমপক্ষে ৫০ লাখ। এই রিকশাচালকদের ৯৪ শতাংশ বছরের বেশির ভাগ সময় নানা রোগবালাইতে ভোগেন। বিশেষ করে জ্বর-কাশি, ঠান্ডা, গায়ে ব্যথা, দুর্বলতা লেগেই থাকে। রিকশাচালকের পরিবারের মাসে গড় আয় ১৩ হাজার ৩৮২ টাকা। এর মধ্যে ৬৮ শতাংশই আছে রিকশা চালনা থেকে। ৯০ শতাংশ পরিবারের আয়ের উৎস রিকশা চালনা। এক-তৃতীয়াংশ চালকের কোনো ভূমি নেই।

পরিবহন খাতের সঙ্গে সারা দেশে প্রায় ৭০ লাখ শ্রমিক জড়িত। আর তৈরি পোশাক খাত ও বস্ত্রকলগুলোয় মোট শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৪৫ লাখ। কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে গেলে এসব শ্রমিকের খাদ্যের জোগান কোথা থেকে আসবে—এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকাসহ বেশির ভাগ বড় শহরে নিম্নবিত্ত মানুষেরা সাধারণত বস্তিতে থাকে। আমাদের জরিপে আমরা দেখেছি, এসব বস্তির ৪০ শতাংশ মানুষের জীবিকা অস্থায়ী ও বেশির ভাগই দিনমজুর। এসব শ্রমিক এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। দ্রুত তাদের তালিকা করে খাদ্য সহায়তা হিসেবে পুষ্টি প্যাকেজ দিতে হবে। আর সামগ্রিকভাবে আগামী দিনের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা করে এগোতে হবে।’

source

11 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

হোম কোয়ারেন্টাইনদের বাড়িতে ফলমূল পাঠাচ্ছে সেনাবাহিনী

জেলা প্রতিনিধি
হোম কোয়ারেন্টাইনদের বাড়িতে ফলমূল পাঠাচ্ছে সেনাবাহিনী

রাঙ্গামাটিতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসফেরত ব্যক্তিদের উপহার স্বরুপ ফলমূল পৌঁছে দিচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকালে শহরের বিভিন্নস্থানে প্রবাস ফেরত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ ফলমূল পৌঁছে দেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

রাঙ্গামাটিতে দীর্ঘদিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১১২ জন ব্যক্তির জন্য রাঙ্গামাটি রিজিয়ন থেকে এ শুভেচ্ছা উপহার দেয়া হচ্ছে বলে জানানো হয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে।

korona

এদিকে টানা ছুটির প্রথম দিন থেকেই রাঙ্গামাটি পুরোটা ফাঁকা হয়ে গেছে। গতকাল (২৫ মার্চ) থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর আজ থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছুটি শুরু হওয়ায় শহরে তেমন লোকজন নেই বললেই চলে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাস্তায় বের হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে বাসায় ফেরত পাঠাচ্ছে। এছাড়া শহরের অভ্যন্তরীণ কোনো যানবাহন চলছে না এবং লঞ্চ চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

korona

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাঙ্গামাটি শহর ঘুরে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকি করছেন। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করতে কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। হাট-বাজার থেকে শুরু করে সব জায়গায় যাতে একের অধিক মানুষ এক সঙ্গে না থাকতে পারে সেই বিষয়ে কাজ করছে প্রশাসন।

korona

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, তবলছড়ি বাজারে অ-প্রয়োজনে লোকজন ভিড় করছে কিনা এবং যেসব দোকান বন্ধ রাখার কথা ছিল সেগুলো বন্ধ আছে কিনা এবং সাথে সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকিও করছি।

সাইফুল/এমএএস/জেআইএম

source

14 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

চট্টগ্রাম: শহীদ মিনারমুখী জনস্রোত দেখা যায়নি ভোর থেকে, ছিল না জনকোলাহল। অন্য দিনগুলোর চাইতে তাই ব্যতিক্রমই বলতে হবে স্বাধীনতা দিবসের এই দিনটিকে।

শহীদ মিনারমুখী জনস্রোত দেখা যায়নি ভোর থেকে, ছিল না জনকোলাহল। অন্য দিনগুলোর চাইতে তাই ব্যতিক্রমই বলতে হবে স্বাধীনতা দিবসের এই দিনটিকে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বৃহস্পতিবারও (২৬ মার্চ) মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সংবাদকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গুটিকয়েক দোকানি ও স্বল্প আয়ের হাতেগোনা কিছু লোকজন ছাড়া কেউ বাইরে আসছেন না।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

সড়কে কমে গেছে যানবাহন চলাচলও। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। শহরের সড়ক, অলি-গলিতে টহল দেওয়া ছাড়াও সচেতনতামূলক মাইকিং এবং সিভিল প্রশাসনের কাজে সহায়তা করছেন তারা।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা পেয়ে সন্ধ্যার পর বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে নগরের অধিকাংশ দোকানপাট। শুধু খোলা রাখা হচ্ছে কয়েকটি ওষুধ এবং মুদির দোকান।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ থেকে আজানের আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে জনগণকে সচেতনতার বার্তা দিতে আহ্বান জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। বন্ধ রাখা হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানও।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, সড়কে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হলে তাকে বাসায় ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া হোম কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা পর্যালোচনাসহ প্রশাসনকে সহায়তা করছেন সেনাবাহিনী।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নেতৃত্বে উপজেলাগুলোতে এবং নগরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করছেন।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

কোনো জায়গায় অধিক লোক যাতে জড়ো হতে না পারে, ৫-৭ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো না হয় এবং জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া লোকজন যাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করছে সেনাবাহিনী।

নগর ফাঁকা। ছবি: বাংলানিউজ

এদিকে ট্রেন ও বাস সার্ভিস বন্ধ থাকায় নগরজুড়ে বিরাজ করছে নীরবতা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন পরিবহনে জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা।

source

12 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

*please excuse the google ads or other sponsors ads. Although Ad may show something Awesome as somewhat surprise ! 



Amazon Audible: Experience the World’s Largest Library of Audiobooks.

mcb post icon
: ) Play with MCB Posts 
as if those are your posts !

Power to Edit/Add/Improve any Post ! 

Visit  MCB Policy





My Page:

6,701 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!