Welcome To MCB

4.4
(10)

Publish News, Views, Consciences, Etc. 

mcb post icon

Need more VIEWS and SUBSCRIBERS at YouTube? Use S. – It’s easy & free always !
0
(0)

If anybody need more views and subscribers at youtube, you may post your video here at S. : https://s.sfhpurple.com It’s easy & free always.

5 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

পকেটে ৬৭ টাকা নিয়ে ৬৮ সালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায়, এখন আয় ৮৫০০ কোটি !
0
(0)

🇧🇩 Top Bangla News, Newspapers, Portals, Magazines, Etc. 💖

পকেটে ৬৭ টাকা নিয়ে ৬৮ সালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায়, এখন আয় ৮৫০০ কোটি !

পারিবারিক আর্থিক অনটন দেখা দিলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসিছেলেন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। বিক্রয়কর্মী হিসেবে রাজধানীর ইসলামপুরে কাপড় বিক্রি শুরু করেন। ১৯৭৬ সালে শুরু করেন নিজের ব্যবসা। ১৯৮৭ সালে এসে বড় ছেলের নামে গড়ে তোলেন নোমান গ্রুপ। বর্তমানে এ গ্রুপের অধীনে রয়েছে ৩২ টি প্রতিষ্ঠান ও কারখানা।


Content break

👁️‍🗨️


carousel4-180415100721🙂Please make sure this service is (remain) a free forever service for you by visiting our this above & bellow sponsors, by the way- sponsor’s informative ad also inform you on latest trends. 🙂carousel3-180619150417


== 4.75 Rating by CuteStat ==


👁️‍🗨️

🙂 Citizen Journalism :)

Post News, Views, Conscience, Etc. 


At MCB you possess the Power to  Edit/Add/Improve  any post or anybody’s content, but you should keep in mind, that  Power always comes with some sort of responsibilities. So please be responsible by yourself to your Power. 


পকেটে ৬৭ টাকা নিয়ে ৬৮ সালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায়, এখন আয় ৮৫০০ কোটি !

ইসলামপুরে দোকানে দোকানে গিয়ে একসময় পণ্য বিক্রি করতেন তিনি। পরিবারের আর্থিক অনটন তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসতে বাধ্য করে। ভাগ্য বদলের আশায় মাত্র ৬৭ টাকা পকেটে নিয়ে ১৯৬৮ সালে ঢাকার পথে পা বাড়ান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। ওঠেন রাজধানীর খিলগাঁওয়ের একটি মেসে, মাসিক ভাড়া ১৫ টাকা। ঢাকায় এসে শুরু করেন কমিশনের বিনিময়ে পণ্য বিক্রি। সারা দিন বিক্রির পর সন্ধ্যায় টাকা তুলে তারপর গভীর রাতে ফিরতেন মেসে। কয়েক ঘণ্টা ঘুমিয়ে সকাল থেকে আবারও ছুটতেন দোকানে দোকানে পণ্য নিয়ে। পণ্য বিক্রি করে মাসে কমিশন পেতেন ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা।

সেই নুরুল ইসলাম সময়ের ব্যবধানে হয়ে উঠলেন সফল উদ্যোক্তা। দেশের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। কিছুদিন আগেও ছিলেন এই গ্রুপের চেয়ারম্যান। মেসের জীবন থেকে এখন তিনি রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের বাসিন্দা। বর্তমানে বড় ছেলের হাতে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের ভার তুলে দিয়েছেন। ছেলের হাতে ব্যবসার ভার তুলে দিলেও নিজে একেবারে উপদেষ্টা হিসেবে পেছন থেকে কোম্পানির নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি এক দুপুরে নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও বর্তমান চেয়ারম্যান এ এস এম রফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রথম আলোর দীর্ঘ আলাপচারিতায় জানা যায় কোম্পানির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের নানা গল্প। 

বিক্রয়কর্মী থেকে সফল উদ্যোক্তা
গল্পে গল্পে নুরুল ইসলাম শোনালেন একজন বিক্রয়কর্মী থেকে দেশসেরা উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনের কথা। বললেন, ২০১৮ সালে গ্রুপের বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি ডলার। প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য সাড়ে ৮৪ টাকার হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা। রপ্তানির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজারেও পণ্য বিক্রি করে থাকে। মূলত স্থানীয় বাজারে পণ্য বিক্রি দিয়েই যাত্রা শুরু হয়েছিল। তাই কোম্পানি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রপ্তানি বাজার বিস্তৃত হলেও স্থানীয় বাজার থেকে এখনো নিজেদের গুটিয়ে নেননি এই উদ্যোক্তা।

নুরুল ইসলাম জানান, ১৯৬৮ সালে ঢাকায় এসে তৈয়ব আশরাফ টেক্সটাইল মিলস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এ প্রতিষ্ঠানের অধীনে আবার একাধিক প্রতিষ্ঠান ছিল। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম মরিয়ম টেক্সটাইল, আরটেক্স ফ্যাব্রিকস, নাজনীন ফ্যাব্রিকস। এসব প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত ক্যারোলিন গেঞ্জি, মশারি, ওড়না এবং পলিয়েস্টার কাপড় ইত্যাদি পণ্য বিক্রি করতেন নুরুল ইসলাম। প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্য বিক্রির পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠান থেকে নিজের পছন্দে পণ্য তৈরি করে তা–ও বিক্রি করতেন তিনি। কমিশন আয়ের পাশাপাশি নিজের উদ্যোগে পণ্য তৈরি করে তা বিক্রির মাধ্যমে একটু একটু করে মূলধন বাড়াতে থাকেন নুরুল ইসলাম।

এর মধ্যে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে ফিরে যান চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় নিজ গ্রামে। ওই বছর বিয়েও করেন। যুদ্ধ শেষে আবার ফিরে আসেন কর্মস্থলে। নতুন করে শুরু করেন সবকিছু। এর মধ্যে ব্যাংকঋণের কারণে মরিয়ম টেক্সটাইল, আরটেক্স ও নাজনীন ফ্যাব্রিকসের আর্থিক অবস্থা ক্রমেই দুর্বল হতে থাকে। তখন এসব প্রতিষ্ঠান ভাড়ায় নেন নুরুল ইসলাম। শুরুতে মশারি ও গেঞ্জির কাপড় তৈরি করতেন। ১৯৭৬ সালে পাওনা ঋণ আদায়ে এসব কারখানা একে একে নিলামে তোলে ব্যাংক। নিলামে অংশ নিয়ে যন্ত্রপাতিসহ কারখানাগুলো কিনে নেন নুরুল ইসলাম।

১৯৭৬ সালে প্রথম আরটেক্স ফ্যাব্রিকসের চারটি মেশিন কিনে নেন তিনি। এ জন্য বিনিয়োগ করেন ৮ লাখ টাকা। সেখানে তখন ২২ শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। এরপর একে একে কেনেন মরিয়ম টেক্সটাইল, নাজরীন ফ্যাব্রিকসের যন্ত্রপাতি। এ তিন প্রতিষ্ঠানের মোট ১২টি যন্ত্র (মেশিন) নিয়ে শুরু হয় উদ্যোক্তা হিসেবে নুরুল ইসলামের যাত্রা। মাত্র ২২ জন শ্রমিক নিয়ে ১৯৭৬ সালে শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে নুরুল ইসলামের পথচলা শুরু। বর্তমানে তাঁর গড়ে তোলা নোমান গ্রুপের কর্মীর সংখ্যা ৬৫ হাজারের বেশি।

নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। ছবি: সাইফুল ইসলামনোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। ছবি: সাইফুল ইসলাম

নোমান গ্রুপের যাত্রা
শুরুটা হয়েছিল আরটেক্স ফ্যাব্রিকস, মরিয়ম টেক্সটাইল দিয়ে। ওই নামেই প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো টিকে আছে নোমান গ্রুপের অধীনে। ১৯৮৭ সালে এসে বড় ছেলে এ এস এম রফিকুল ইসলাম নোমানের নামে প্রতিষ্ঠা করেন নোমান গ্রুপ। বর্তমানে এ গ্রুপের অধীনে রয়েছে ৩২টি কারখানা ভিন্ন ভিন্ন নামে। এগুলোর মধ্যে স্ত্রী, কন্যা, পুত্র, নাতি-নাতনিদের নামেও রয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

গল্পে গল্পে নুরুল ইসলাম জানান, ১৯৭৬ সালে বড় ছেলে নোমানের জন্ম। ওই বছরই উদ্যোক্তা হিসেবে তাঁর পথচলা শুরু। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। তবে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান গড়তে ব্যাংকমুখী হননি তিনি। পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল কেনা থেকে শুরু করে নকশা, রঙের ব্যবহার, বিক্রি—সবকিছুই শুরুতে নিজে করেছেন। এখনো বৃদ্ধ বয়সে নকশা, কাঁচামাল কেনা, উৎপাদনের প্রতিটি ধাপের কাজের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। 

নুরুল ইসলাম বলেন, এখনো দিনরাত মিলিয়ে ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তিনি। 

রপ্তানিতে সাফল্য, অর্ধশতকের অপেক্ষা
১৯৭৬ সাল থেকে ব্যবসা শুরু হলেও নোমান গ্রুপের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৭ সালে। প্রতিষ্ঠার ১৩ বছর পর ২০০০ সালে এসে আন্তর্জাতিক বাজারে নোমান গ্রুপের রপ্তানি শুরু হয়। এ জন্য প্রতিষ্ঠা করেন জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফ্যাব্রিকস নামে রপ্তানিমুখী হোম টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে রপ্তানি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত নোমান গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সেরা রপ্তানিকারক িহসেবে ৪৬টি জাতীয় রপ্তানি পদক পেয়েছে। এরমধ্যে ১১টি ছিল শীর্ষ রপ্তানিকারকের স্বীকৃতি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ স্বীকৃতি দিয়েছে। 

নোমান গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান এ এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য শীর্ষ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেবিক্স দুটি স্বর্ণপদক পেয়েছে। এ ছাড়া নোমান গ্রুপের আরও দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্বর্ণপদক ও ব্রোঞ্চপদকসহ মোট চারটি পদক পেয়েছে। 

গ্রুপটির উদ্যোক্তা ও কর্মীদের আশা, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দুই বছরের মধ্যে সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের কাছ থেকে অর্ধশতক পদক জিতবে প্রতিষ্ঠানটি। এখন প্রতিষ্ঠানটির অপেক্ষা সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্ধশতক পদকপ্রাপ্তি ও ধারাবািহক অবস্থান ধরে রাখা। 

নোমান গ্রুপের সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফ্যাব্রিকস। এ প্রতিষ্ঠানটি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ছেলের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

এ এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৯৪ সালে যাত্রা শুরু হয় জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফ্যাব্রিকসের। শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য, রপ্তানিতে দেশের সেরা হওয়া। প্রথম রপ্তানি শুরু হয় ২০০০ সালে। সেই বছর ৬৫ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করে ইউরোপের বাজারে। প্রথম রপ্তানি পণ্য ছিল বিছানার চাদর বা বেডশিট। দেড় যুগের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩৮ গুণ। সর্বশেষ ২০১৮ সালে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি ডলার বা এক হাজার ৪০০ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করেছে।’

জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের বর্তমানে ১৮ থেকে ২০ ধরনের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের বড় ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে আইকিয়া, এইচঅ্যান্ডএম, ওয়ালমার্ট, টার্গেট, কেমার্ট, ক্যারিফোর ইত্যাদি।

নোমান গ্রুপের ৬৫ হাজার কর্মীর মধ্যে ১২ হাজার জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে গ্রুপের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘শুরু থেকে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার প্রতি ছিল আমাদের সর্বোচ্চ মনোযোগ। এ কারণে এখন পর্যন্ত আমাদের পণ্য নিয়ে গ্রাহকের কোনো অভিযোগ নেই।’

জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য প্রতিষ্ঠানটির বিশাল কর্মী বাহিনীর পাশাপাশি বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের কর্মীদের অবদানের কথা জানালেন এ এস এম রফিকুল ইসলাম। 

নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জোবায়েরে রপ্তানির জন্য তৈরি হচ্ছে বেডশিটনোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জোবায়েরে রপ্তানির জন্য তৈরি হচ্ছে বেডশিট

বিপুল ক্ষতি, তবু হাল ছাড়েনি
২০০৯ সালে টেরিটাওয়েল, ডেনিম, উইভিংসহ সাতটি কারখানা গড়ে তোলে নোমান গ্রুপ। ব্যাংকঋণ ও নিজেদের অর্থে গাজীপুরে এসব কারখানা গড়ে তোলা হয়। কিন্তু গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় সাত বছর উৎপাদন শুরু করা যায়নি এসব কারখানায়। শিল্পের চাকা না ঘুরলেও ব্যাংকঋণের সুদের চাকা ঠিকই সচল ছিল। তাতে বিপুল লোকসান গুনতে হয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। 

নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বর্তমান চেয়ারম্যান উভয়ে জানান, সাত কারখানা গড়ে তোলার পর সাত বছর ধরে এসব কারখানায় উৎপাদন শুরু করতে না পারায় শুধু বসে বসে ২ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক সুদ গুনতে হয়েছে। যন্ত্রপাতিও কিছু কিছু পুরোনো হয়ে গেছে। তখন অনেকে বলেছিলেন কারখানাগুলো বিক্রি করে দিতে। কিন্তু সংকটে দমে যাওয়ার পাত্র নন কেউই। কারণ, তাঁরা জানতেন, ব্যবসায় ভালো সময়, খারাপ সময় থাকবেই। ধৈর্য নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। নোমান গ্রুপ তাই করেছে। সেই ধৈর্যের সুফল মিলেছে ২০১৫ সালে এসে। সাত বছর পর মিলেছে গ্যাস–সংযোগ, তাতে চালু হয় কারখানাগুলো। 

এ ছাড়া ২০১১ সালে বিশ্ববাজারে হঠাৎ করে তুলার দামে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় সে বছর ৮০০ কোটি টাকার বেশি লোকসান হয় নোমান গ্রুপের। কিন্তু কোম্পানিটি ব্যাংকঋণের চেয়ে নিজেদের অর্থে বিনিয়োগের নীতিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এ কারণে বড় ধরনের লোকসানের পরও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন গ্রুপটির কর্ণধারেরা।

নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জোবায়েরে রপ্তানির জন্য তৈরি হচ্ছে বেডশিটনোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জোবায়েরে রপ্তানির জন্য তৈরি হচ্ছে বেডশিট

যে ব্যবসা বুঝি না, তা নয়
নোমান গ্রুপের ৩২টি প্রতিষ্ঠানের সব কটি পোশাক ও বস্ত্র খাতের। সব কটিই ব্যবসাসফল। তারপরও অন্য খাতের কোনো ব্যবসায় নিজেদের যুক্ত করলেন না কেন? জানতে চাই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, জীবনের বড় অংশই আমি কাটিয়েছি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসার সঙ্গে। কীভাবে তুলা থেকে সুতা হয়, সুতা থেকে কাপড়। কতটুকু তুলায় কত সুতা আর কত সুতায় কতটুকু কাপড় হয়—সব খুঁটিনাটি আমি জানি। এমনকি কোন মেশিনে কেমন উৎপাদন, খরচ কত কম হয়, তা–ও জানা রয়েছে আমার। তাই এ খাতের ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি মনোযোগী হয়েছি। যে ব্যবসা আমি বুঝি না বা কম বুঝি, সেই ব্যবসা করার পক্ষপাতী আমি নই। সন্তানদেরও বলেছি, যে ব্যবসা বুঝবে না, সেই ব্যবসায় না জড়াতে। কারণ, তাতে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো এমনভাবে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রয়োজনের বেশি পণ্য তৈরি হয় না। এ কারণে আমাদের কারখানাগুলোতে পণ্যের অপচয় কম হয়। চাহিদা বুঝে আমরা পণ্য উৎপাদন করে থাকি।’

এ এস এম রফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নোমান গ্রুপএ এস এম রফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নোমান গ্রুপ

ভবিষ্যৎ ভাবনা
এ এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমাদের সিনথেটিক কাপড়, পলিয়েস্টার ও সিনথেটিকস নির্ভর ফ্যাব্রিকস তৈরিতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। নিজেদের ব্যবসাকে পোশাক ও বস্ত্র খাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার পরিকল্পনা আমাদের। পাশাপাশি রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধির মাধ্যমে শীর্ষ রপ্তানিকারকের স্বীকৃতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর।’

নুরুল ইসলামের ছেলে-মেয়ে পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে সবার বড় একমাত্র মেয়ে নুর–ই–ইয়াসমিন ফাতেমা, তিনি বর্তমানে নোমান গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক। এরপর চার ছেলে। ছেলেদের মধ্যে সবার বড় নোমান গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম রফিকুল ইসলাম। দ্বিতীয় ছেলে আবদুল্লাহ জাবের, তৃতীয় ছেলে আবদুল্লাহ মো. জোবায়ের ও সবার ছোট আবদুল্লাহ মো. তালহা। বড় ছেলে বাদে অন্যরা গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন।


MCB Love to Mention CSL : >
(Content Source Link)

🇧🇩 Top Bangla News, Newspapers, Portals, Magazines, Etc. 💖



7 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

চট্টগ্রামে রাতে বাড়িতে বাড়িতে খাবার নিয়ে যাবে পুলিশ
0
(0)

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী চলমান বাড়িতে থাকা কার্যক্রমে দিনমজুরসহ দরিদ্রদের দুর্গতি বেড়েছে। অনেক পরিবারে রান্না হচ্ছে না ঠিকমতো। কাজ বন্ধ থাকায় আয় নেই এসব পরিবারের। ফলে কষ্টে আছে এসব পরিবার।

এমন উপলবদ্ধি থেকেই আজ সোমবার (৩০ মার্চ) রাত থেকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের চার থানা পুলিশ সংশ্লিষ্ট থানা এলাকার কলোনিগুলোতে রাতে হাজির হবে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে। প্রতিটি বস্তায় প্রায় ১৯ কেজি করে পণ্য সামগ্রী থাকবে। বাসার দরজায় রাতের অন্ধকারে টোকা দেবে পুলিশ। যে বাসায় রান্না হয়নি কিংবা পুলিশ বুঝতে পারবে-দরিদ্র মানুষের আবাস, সেই পরিবারেই দেওয়া হবে ১৯ কেজি ওজনের একটি বস্তা। থাকবে চাল, ডাল, তেল, পেয়াঁজ, মসলা, সাবানসহ বিভিন্ন সামগ্রী।

আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর লাভলেইন মোড়ের স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। এমন মহৎ কর্মে পুলিশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রামের শিল্পগ্রুপ কেএসআরএম।

স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টার গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে কয়েক মেট্রিকটন চাল, ডাল, আলু ও তেলের স্তূপ। নগর পুলিশের একদল পুলিশ সদস্য এসব পণ্য প্যাকেটজাত করছেন। কেউ ডাল, কেউ বা চাল, কেউ বা পেয়াঁজ ওজন করে বস্তা ভর্তি করছেন।

করোনার প্রভাবে কর্মহীন দরিদ্র পরিবারে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম উদ্বোধন করতে এসে নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী এখন করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব চলছে। বাংলাদেশও এই সমস্যার মুখোমুখি। সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। তাঁদের পরিবারে যেন খাদ্য সংকট না হয়, সেই জন্যই চট্টগ্রামের শিল্পপ্রতিষ্ঠান কেএসআরএম’র সহযোগিতায় পুলিশ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। রাতের অন্ধকারে পুলিশ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার পৌঁছে দেবে। যাতে মানুষকে ঘর থেকে বের হতে না হয়।

খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে এগিয়ে আসায় তিনি কেএসআরএম কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সমাজে বিত্তবানদের এই সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে নগরীর চারটি থানা কোতোয়ালি, বাকলিয়া, সদরঘাট ও চকবাজার থানা এলাকায় তিন হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

এই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার শ্যামল কুমার নাথ, উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান প্রমুখ। 

source

9 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!


0
(0)
আপনি ঘরে থাকুন, দোকানই যাবে আপনার ঘরে!

আপনি ঘরে থাকুন, দোকানই যাবে আপনার ঘরে!

Posted by Mohammad Mohsin PPM on Friday, March 27, 2020
26 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

Jamuna TV

9 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

Jummah Namaz Suspended | Jummah in Lock Down | Maulana Imran Attari Coronavirus Dua

16 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

সেনামদদে অথবা বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে গরীবদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে হবে, ধনীদেরও খেয়াল রাখতে হবে – কয়েকটি অনলাইন অর্ডার পোর্টাল বিশেষ ব্যবস্থায় চালু রাখতে হবে যাতে অর্ডার করে প্রয়োজন মেটানো যায়। দেশের বড় বড় সব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি জরুরী তহবিলে অনুদান গ্রহণ করতে হবে এবং সেই ফান্ড দিয়ে দেশের উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। আমরা গরীব দেশ কতটুকু সক্ষম হব জানিনা – যেখানে আমেরিকা নিজের জনগণের জন্য ২ ট্রিলিয়নের ফান্ড গঠন করেছে সেখানে আমাদের ফান্ডের আকার ও কার্যকারিতা নিয়ে একটু গভীরভাবে ভাবতে হবে।

55 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

মধ্যপ্রাচ্যের বিজ্ঞ ও সচেতন শাসকরা শুরুতেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় আজ করোনার কবল থেকে মধ্যপ্রাচ্য অনেকটাই নিরাপদ !

সৌদিআরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ একেবারে শুরুতেই করোনার ভয়াবহতা ও প্রটেকশনের মোক্ষম পদ্ধতিটা বুঝতে পারে এবং দ্রুত পদক্ষেপও গ্রহণ করে। ওমরা বন্ধ – তাওয়াফ বন্ধের মত সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ ছিল না। কিন্তু সৌদিআরব সেটা করেছে। কুয়েতের সরকার আজানের শব্দ পর্যন্ত পরিবর্তন করে ফেলে – মসজিদে এস – এর জায়গায় বলা হচ্ছিল – ঘরে নামাজ পড়। ভেবে দেখুন কতটা গুরুত্ব দিয়ে তারা নির্মম ও স্পর্শকাতর সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছিল যার ফলও মধ্যপ্রাচ্য এখন পাচ্ছে – করোনায় মৃত্যুহার যেখানে এখন শূণ্যের কৌটায় অথচ সারা বিশ্বের মৃত্যুহার এখন আমাদের সবার সামনে।

উপরের ছবিটিতে আপনি গার্ডিয়ানের নাম দেখতে পাচ্ছেন অর্থাৎ গার্ডিয়ান তখন শুধু রিপোর্ট করছিল আর আমরাও শুধু দেখছিলাম – আর এখন গার্ডিয়ানের দেশ ব্রিটেনের অবস্থা এবং আমাদের নিজের অবস্থাও দেখতে পাচ্ছি।

এই ঘটনা প্ৰমাণ করল মধ্যপ্রাচ্যের শাসকরা বিচক্ষন ও বিজ্ঞ !

28 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

করোনা থেকে রক্ষা পেতে জুমার নামাজে বিশেষ মোনাজাত | COVID19

Jamuna TV

15 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

করোনাভাইরাস গোটা পৃথিবীতে খুব দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। তছনছ করে দিচ্ছে প্রতিটি দেশকে। অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এই ভাইরাসে। এর প্রেক্ষিতে সারাবিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিতে মসজিদে নামাজের জামাত ও জুমার নামাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা যাবে বলে মত দিয়েছেন মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফতোয়া বোর্ড। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মৃত্যুর ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এ ফতোয়াটি জারি করা হয়েছে। খবর জিয়ো নিউজ উর্দূর।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ডা. আরিফ আলভি দেশটিতে নিযুক্ত মিসরীয় রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে আল আজহার বিশ্ববিদ্যায়ের প্রধান ও দেশটির গ্রান্ড মুফতি ড. আহমাদ তাইয়্যেবের কাছে এ বিষয়ে পরামর্শ চান। চলমান ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মুসলিম দেশগুলোর করণীয় কী হবে, তারা মসজিদে গিয়ে জামায়াতে নামাজ পড়বে কি পড়বে না, এ সম্পর্কে একটি ফতোয়া জারি করার আবেদন জানিয়ে ছিলেন তিনি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির উচ্চপদস্থ বিজ্ঞ আলেমরা করোনাভাইরাস সম্পর্কিত এ ফতোয়াটি জারি করেন।

আল-আজহারের জারি করা ফতোয়ায় বলা হয়, করোনাভাইরাস গোটা পৃথিবীতে খুব দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। পর্যুদস্ত করে দিচ্ছে প্রতিটি দেশকে। অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এই ভাইরাসে। আক্রান্তের সংখ্যাও কম নয়।

ইসলামী আইনের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হল, মানুষের জীবন বাঁচানো এবং যাবতীয় বিপদাপদ থেকে সবাইকে রক্ষা করা। এই বৃহৎ লক্ষকে সামনে রেখেই প্রতিটি মুসলিম দেশের রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের মসজিদে সম্মিলিত নামাজ আদায় এবং জুমার নামাজের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপের অনুমতি রয়েছে।
ফতোয়ায় আরও বলা হয়, মানবজীবন সুরক্ষার জন্য এই মুহূর্তে সবধরনের সভা- সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা উচিত।

source

12 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

0
(0)

করোনা নিয়ে লোক দেখানো কাজ-মজা-মস্করাও নয় । নিয়ম মানুন , স্রষ্টায় বিশ্বাসী হলে প্রার্থনা করুন !

হ্যান্ড ওয়াশিং এবং সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং – এই দুটোই এখন পর্যন্ত একমাত্র নিয়ম।

ঘরে থাকুন , প্রয়োজনে ফোন করুন – অন্তত দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন কোন অবস্থাতেই ব্রেক করবেন না !

107 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

*please excuse the google ads or other sponsors ads. Although Ad may show something Awesome as somewhat surprise ! 



Amazon Audible: Experience the World’s Largest Library of Audiobooks.

mcb post icon
: ) Play with MCB Posts 
as if those are your posts !

Power to Edit/Add/Improve any Post ! 

Visit  MCB Policy





My Page:

6,693 views

How useful was this post?

Click on a star to rate it!