আল্লামা শাহ আহমদ শফী ইসলামী ঐক্যের পথ দেখিয়ে গেলেন || সাপ্তাহিক সোনার বাংলা

0
(0)

Hi Viewer,

*Please scroll down for your Story, Meanwhile as a MCB user please be noted: We do not allow typical good-bad-foul comment culture in this platform, rather if you want, you may post a counter-constructive story to this story by copy/paste this post link in your next Publish screen. Moreover MCB is an open platform where anybody can moderate anybody's post.

You may add your Story ;

Visit & Add: SocialStory

Add your News,
Views,
Consciences,
Etc.
as mcbStory

How to Post on MCB ?
No SignUp,
Just LogIn with our open credentials:

Publish News, Views, Consciences, Etc. 

Pick any one to Publish:

#1 mcb

#2 MyCtgBangla

#3 mcbStory

#4 MyStory

#5 PEOPLEPRESS

#6 WerMCBzen

WerMCBzen

Power to Edit/Add/Improve any Post ! 

Visit  MCB Policy

🙂 Citizen Journalism :)

mcb post icon


MCB is an Open Online Platform with a unique, one & only Open Online Profile – ‘WerMCBzen(wermcbzen)’ where you Possess the Power to Edit/Add/Improve any post or anybody’s content, but you should keep in mind, that Power always comes with some sort of responsibilities. So please be responsible by yourself to your Power.  It is made with Love for Lovable & Sensible People Only.

Story starts  hereThis image has an empty alt attribute; its file name is mcb-mversion-logo.png

mcb post icon

Your Story here :

6 views

আল্লামা শাহ আহমদ শফী ইসলামী ঐক্যের পথ দেখিয়ে গেলেন || সাপ্তাহিক সোনার বাংলা

॥ হারুন ইবনে শাহাদাত ॥
আল্লামা শাহ আহমদ শফী কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন শিক্ষক। তারপরও দেশের রাজনীতিতে তাঁর কতটা প্রভাব ছিলÑ ইন্তিকালের পর ইসলামের পক্ষের ও বিপক্ষের সবাই তা অনুভব করছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম তাঁর এই শূন্যতা দেশের ইসলামপন্থী রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে, সেই বিশ্লেষণ শুরু করেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, তিনি তাঁর অরাজনৈতিক ইসলামী সংগঠন হেফাজতে ইসলামের মাধ্যমে এদেশের তরুণদের মাঝে ইসলামী আদর্শের পক্ষে আশার আলো জাগিয়ে গেছেন। সেই আলোকিত পথ ধরে ইসলামপন্থী শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে বিজয়ের সোনালি সূর্য উদিত হবেই।
অবশ্য বিশ্লেষকদের মধ্যে অনেকে আল্লামা শাহ শফীর অবর্তমানে হেফাজতে ইসলামের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার মনে করেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ইন্তিকালে তাঁর নেতৃত্বে থাকা হেফাজতে ইসলাম দুর্বল হবে না বা এর গুরুত্বও দেশের রাজনীতিতে কম নয়। তবে তিনি এর ঐক্যবদ্ধ থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু হেফাজতে ইসলামের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকার লালবাগ মাদরাসার শিক্ষক মুফতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের মূল দায়িত্বে অরাজনৈতিক ব্যক্তিরাই থাকবে। আহমদ শফীর মৃত্যু তেমন কোনো শূন্যতা তৈরি করবে না। শফী সাহেব যে অবস্থানে গিয়েছিলেন, আগে তো তিনি সে অবস্থানে ছিলেন না। পরে যিনি দায়িত্বে আসবেন, তিনি যদি মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেন, তাহলে আমার মনে হয় না মানুষ শূন্যতায় ভুগবে।’ তিনি জানান, হেফাজতে ইসলামের ২২৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি শূরা কমিটি আছে। পরবর্তী আমীর কে হবেনÑ এ বিষয়ে শূরা কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জননেতা অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘হাজার হাজার আলেমের ওস্তাদ, বিশ্ববরেণ্য আলেমেদীন আল্লামা আহমদ শফীকে হারিয়ে আমরা অত্যন্ত ব্যথিত। তিনি দেশে ইসলামী শিক্ষা বিস্তার ও প্রসারে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করে গেছেন। ইলমে দীনের খেদমতের জন্য যুগ যুগ ধরে এদেশের মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তাঁর ইন্তিকালে জাতি একজন খ্যাতিমান আলেমেদীনকে হারাল। তার শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়। আমরা তার অসমাপ্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য ওলামায়ে কেরামের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’
 বিশ্লেষকরা মনে করেন, আল্লামা শাহ শফী মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাঁর কাজ ও লেখনীর মাধ্যমে যে দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন, তা অনুসরণের মাধ্যমে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য সুদৃঢ় হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
কবি ও সমাজচিন্তক ফরহাদ মজহার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আগামী দিনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কোনো ভূমিকা রাখবে কি না, বলা মুশকিল। কিন্তু তরুণ ইসলামী চিন্তাবিদ, ইসলামী আন্দোলনের সংগ্রামী নেতা ও কর্মী এবং মাদরাসার তরুণ ছাত্রদের বড় একটি অংশ সামনের কাতারে চলে আসবে, যারা জাতীয় রাজনীতির নির্ধারক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। ইসলামের ইতিহাসে রাজতন্ত্র এবং জালিমশাহীর সাথে আলেম-ওলামার হাত মেলানো এবং ইসলামকে জালিমদের হাতিয়ারে পরিণত করা নতুন কিছু নয়। সাম্প্রদায়িকতা, জাতিবাদী এবং সাম্প্রদায়িক ইসলামও বাংলাদেশে কম শক্তিশালী নয়। জনগণের সাথে বেঈমানি ও বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাসও দীর্ঘ। বাংলাদেশ সে ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কিছু নয়। জালিমশাহী ও ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা বহাল রাখবার জন্য কুরআনের তাফসির এবং হাদিসের অপব্যাখ্যারও কমতি নাই। নানান কিসিমের মতবাদী ও মজহাবি ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক ধারাও কম নয়। কিন্তু আশার কথা হচ্ছে, যে ধারাটি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে উঠছে সেটা হলো, জালিম ফ্যাসিস্ট শাসক এবং ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সংগ্রামের ধারা। তরুণ আলেমসমাজ এবং মাদরাসার ছাত্রদের মধ্যে ইসলামকে মানবেতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেবার প্রেরণা হিসেবে ভাববার ঐতিহ্য ও চর্চা বেড়েছে। পাশ্চাত্যের গোলামির দিন দ্রুত বাংলাদেশে শেষ হয়ে যাচ্ছে কি? আগামী ইতিহাসই তা প্রমাণ করে ছাড়বে।’
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় বক্তা তরুণ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ড. মিজানুর রহমান আজহারী ইসলামপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘একজন বিদগ্ধ আলেমেদীনের বিদায়কে কেন্দ্র করে এদেশে যেমনি সকল ইসলামপন্থী দলমত-নির্বিশেষে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে দীন প্রতিষ্ঠায় আমরা সবাই এক কাতারে দাঁড়াতে সমস্যা কোথায়? এ প্রশ্ন আজ সকল ইসলামপ্রিয় আমজনতার। সমস্যাটা হলো মূলত হিংসা, অহমিকা আর গোঁড়ামিতে। এই হিংসা, অহমিকা এবং গোঁড়ামির খাঁচা থেকে মুক্ত হতে না পারলে এই অঞ্চলে ঐক্য প্রক্রিয়া আর ইসলামী সমাজ কায়েমের আন্দোলন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সবাই ঐক্য চায়, কিন্তু একচুল পরিমাণ ছাড় দিতে নারাজ। সবার স্বপ্ন ইসলামকে বিজয়ী শক্তি হিসেবে দেখার, কিন্তু একই স্বপ্নে বিভোর লোকদের মধ্যে নোংরা কাদা ছোড়াছুড়ি। পান থেকে চুন খসলে উলঙ্গ আক্রমণ। বিভিন্ন মতাদর্শের আলেম-ওলামাদের সহাবস্থান আর পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমতে কমতে একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।
ইমাম ইবনুল জাওযি রাহিমাহুল্লাহ ওনার “তালবিছে ইবলিশ” গ্রন্থে শয়তানের ব্যবসা নিয়ে লিখেছেন যে, শয়তান জুলুম বিক্রি করে শাসকদের কাছে, কৃপণতা বিক্রি করে ধনীদের কাছে আর হিংসা বিক্রি করে আলেমদের কাছে। এ কথার চরম বাস্তবতা আমরা প্রকটভাবে দেখতে পাচ্ছি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির আলেম সমাজের অনেকের মধ্যে। হিংসা আর অহংকারের বিষবাষ্পে আজ ধীরে ধীরে কলুষিত হয়ে যাচ্ছে আমাদের ধর্মীয় আঙিনাগুলো।
যারা শত শত বিষয়ে মিল থাকার পরও সামান্য কিছু অমিলের কারণে একজন মুসলিম ভাইকে অমুসলিমের সম্মানও দেয় না, তারাই এদেশে ইসলামের মুখপাত্র দাবিদার। মনে রাখা দরকার, ভিন্নমতাবলম্বীদের অচ্ছুৎ মনে করা মুহাম্মদ (সা.)-এর ওয়ারাসাদের স্বভাব হতে পারে না। আর আল্লাহর পাঠানো দীন ইসলামও আমাদের এই সংকীর্ণতা শিক্ষা দেয়নি। ইসলাম যেখানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদেরকেও সম্মান করতে শেখায় সেখানে আমরা নিজেরা নিজেদের সহ্য করতে পারছি না। আসলে এ জাতীয় লোকদের মুখে ঐক্যের কথা খুবই বেমানান। বাস্তবতা হচ্ছে, উম্মাহর ঐক্য নিয়ে মঞ্চ কাঁপানো জ্বালাময়ী ভাষণ দেয়া সহজ কিন্তু পুরো উম্মাহকে আপন করে নেয়া ও আগলে রাখা খুব কঠিন। উদারতা আর ভালোবাসার সিসাঢালা নিখাদ মানসিকতা ছাড়া উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আসলে হৃদয়ের প্রশস্ততা, এটা রবের দেয়া এক বিরাট নিয়ামত। সবাইকে আল্লাহ তায়ালা এই নিয়ামতে ধন্য করেন না। প্রশস্ততা, উদারতা এবং ভালোবাসার নিয়ামত লাভে যারা ধন্য, তারা আসলেই মহাসৌভাগ্যবান।’
আল্লামা শাহ শফী সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত ছিলেন না, নিজে কোনো রাজনৈতিক দল গঠনও করেননি। তবে ইসলামের পক্ষের বিভিন্ন মত ও পথের রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থ’ী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষনেতাদের গ্রেফতার এবং হত্যার ঘটনাকে ইসলামের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখে, শাহবাগের বিপরীতে শাপলা চত্বরে প্রতিবাদী জনতার সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। সরকার রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করে সেই প্রতিবাদের প্রাচীর ভাঙতে পারলেও এদেশের মুসলমানদের মন ভাঙতে পারেনি। শতবর্ষী প্রবীণ এই অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সরকার ক্ষমতা ও রাজনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ মনে করতো। বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাষ্ট্রশক্তিকে কুক্ষিগতকারী স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করা যায়, কিন্তু যুদ্ধ করা যায় না। তাই আন্দোলনের কৌশল হিসেবে আল্লামা শফী কখনো সামনে, কখনো পিছনে, কখনো একসাথে চলেছেন। এই কারণেই তাকে তাদের সাথে এক মঞ্চেও দেখা গেছে। তবে তিনি তাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ধর্মনিরপেক্ষতার নামে এদেশে ইসলাম ও ইসলামপন্থীদের মাইনাস করে ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র দুঃস্বপ্ন ছাড়া অন্য কিছু নয়। শত অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েও এদেশের  মানুষের অন্তর থেকে ইসলামকে মুছে ফেলা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। রাজনীতি, অর্থনীতি সংস্কৃতির গভীরে শক্তভাবে শিকড় গেড়ে আছে ইসলামের শাশ্বত কালজয়ী আদর্শ। ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য যারা কাজ করছেন, তাদেরকে বর্তমান পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ছোট-খাটো মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে চলতে হবে, তবেই আসবে সেই কাক্সিক্ষত বিজয়ের সোনালি সময়।


MCB Love to Mention : )

Content Courtesy →

আল্লামা শাহ আহমদ শফী ইসলামী ঐক্যের পথ দেখিয়ে গেলেন || সাপ্তাহিক সোনার বাংলা

Have A Views ?

Pay A Visit :

MCB-ShahAhmadShafi


*related video(s) to your this interest, tap the image to retrieve the video. some times you wont see any related video(s) for youtube API & Quota issue, or some times you see video(s) unrelatedly. please excuse the drawback while such stuff happens.

No Video(s) Found,

Follow us on Facebook.com/MyCtgBanglaMCB

How useful was this post?

Click on a star to rate it!


© MCB | the OnenOnly Open Publishing Platform
| ✐ Publish NOW



You may add your Story ;

Visit & Add: SocialStory

Add your News,
Views,
Consciences,
Etc.
as mcbStory

+

How to Post on MCB ?
No SignUp,
Just LogIn with our open credentials:

Publish News, Views, Consciences, Etc. 

Pick any one to Publish:

#1 mcb

#2 MyCtgBangla

#3 mcbStory

#4 MyStory

#5 PEOPLEPRESS

#6 WerMCBzen

WerMCBzen

Power to Edit/Add/Improve any Post ! 

Visit  MCB Policy

:) Citizen Journalism :)

mcb post icon

*please keep in mind your post/page is always editable by the open online profile: WerMCBzen.

MCB is an Open Online Platform with a unique, one & only Open Online Profile – ‘WerMCBzen(wermcbzen)’ where you Possess the Power to Edit/Add/Improve any post or anybody’s content, but you should keep in mind, that Power always comes with some sort of responsibilities. So please be responsible by yourself to your Power.  It is made with Love for Lovable & Sensible People Only.

Edit: You're Empowered for Excellence !